নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- বারুইপুরের নৃশংস কিশোরী নির্যাতন ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনার পর গণরোষের মুখে পড়ে ইন্দ্রজিত নামে এক যুবকের গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, নিহত ইন্দ্রজিত সম্ভবত মূল ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
এই পরিস্থিতিতে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। যদি নির্দোষ কাউকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়ে থাকে, তবে যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোরতম আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারুইপুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পুরো ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি গণপিটুনির ঘটনাতেও পৃথক মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানানো হয়েছে।
রাজ্যের রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। বিরোধীদের একাংশ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, সরকার দাবি করেছে দোষীদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।