Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে

বারুইপুর কাণ্ডে নির্যাতিতা পরিবারের পাশে বিধায়ক নওসাধ সিদ্দিকী, ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব বিরোধী শিবির

07 Jul 2026
03:27 PM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- বারুইপুরের নৃশংস ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতি। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বারুইপুরে পৌঁছালেন বিধায়ক নওসাধ সিদ্দিকী। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার দ্রুত তদন্ত, দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার এবং কঠোরতম শাস্তির দাবিও তোলেন।

নওসাধ সিদ্দিকী বলেন, “এ ধরনের নৃশংস ঘটনার কোনও রাজনৈতিক রং হতে পারে না। একজন নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো মানবিক কর্তব্য। আমরা চাই দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরও সরব হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার সংগঠন নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছে। পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

বারুইপুরের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল—সব জায়গাতেই উঠছে একটাই দাবি, দোষীদের দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, আইন ও প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত বিচার অত্যন্ত জরুরি।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল কাজ শুরু করেছে। তদন্তকারীরা সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করছেন এবং দ্রুত চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতিও চলছে।

বারুইপুর কাণ্ড এখন শুধু একটি অপরাধের ঘটনা নয়, বরং নারী নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। রাজ্যের মানুষ এখন তাকিয়ে রয়েছে তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতির দিকে।