লোগোতে টাচ করুন

যোগাযোগ :- 8016367537/8648868278


Email ID: zillarbartaoffical@gmail.com


Registration No: WB-18-0064025

বিজ্ঞাপনের জন্য

যোগাযোগ :- 7478809472


কয়লা পাচার কাণ্ডে গ্রেপ্তার বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডল, জালে পুলিশকর্তা

  • ফ্যাক্ট ফাইল | Jun 18, 2026

নিজস্ব প্রতিনিধি জেলার বার্তা ডেস্ক- পশ্চিম বর্ধমানের বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলকে ঘিরে ফের তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল কয়লা পাচার মামলায়। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির নজরে থাকা এই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ওঠে কয়লা মাফিয়াদের থেকে ‘প্রোটেকশন মানি’ নেওয়ার অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা পাচার চক্রকে নিরাপত্তা দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক অ্যাকাউন্টে।

 

ইডি সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ড-আসানসোল কয়লা পাচার মামলার তদন্তে বারবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে যান মনোরঞ্জন মণ্ডল। এরপরই দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের বাড়িতে একাধিকবার হানা দেয় তদন্তকারী সংস্থা। বাড়িতে কাউকে না পেয়ে দরজায় নোটিস সাঁটিয়ে ফিরে যেতে হয় আধিকারিকদের। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা পাচার সিন্ডিকেটের সঙ্গে পুলিশি যোগসাজশের গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য তাঁদের হাতে এসেছে।

 

কয়লা পাচার মামলায় সম্প্রতি কলকাতা, আসানসোল, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, কাঁকসা-সহ একাধিক এলাকায় একযোগে অভিযান চালায় ইডি। সেই তল্লাশিতে উদ্ধার হয় নগদ বিপুল টাকা, গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ডিজিটাল এভিডেন্স। তদন্তকারীদের দাবি, এই চক্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে কোটি কোটি টাকার অবৈধ কয়লা পাচার চলেছে এবং তার পিছনে ছিল প্রভাবশালী মহলের মদত।

 

সূত্রের খবর, মনোরঞ্জন মণ্ডল একসময় বারাবনি থানার ওসি হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। পরে তাঁকে বুদবুদ থানায় দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু সেই সময় থেকেই কয়লা পাচার মামলায় তাঁর নাম উঠে আসতে শুরু করে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত প্রোটেকশন মানি আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ট্রানজ্যাকশনের একাধিক তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের অভিযোগ, কয়লা পাচার চক্রে শুধু মাফিয়াই নয়, প্রশাসনের একাংশও জড়িত ছিল। অন্যদিকে তদন্ত আরও গভীরে গিয়ে বড়সড় চক্রের হদিশ মিলতে পারে বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।