Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
৩৪ বছরেও বদলায়নি ছবি! কুলপির ১৮০টি সেতুতে ভরসা কাঠ-বাঁশ, স্থায়ী সেতুর অপেক্ষায় গ্রামবাসী   •   টোটো-অটোর দাপটে বিপর্যস্ত রাস্তাঘাট, যানজট ও দুর্ঘটনা রুখতে চাই কঠোর নিয়ন্ত্রণ   •   দেশজুড়ে ৪০ লক্ষেরও বেশি টুথপেস্ট টিউব প্রত্যাহার, তালিকায় শিশুদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ডও   •   ৯টি সেরা উচ্চ-প্রোটিনযুক্ত স্ন্যাকস, যা আপনার হৃদযন্ত্রের জন্যও ভালো   •   দেবী বিসর্জনের পর পুকুরঘাটে জোরকদমে সাফাই অভিযান, পরিচ্ছন্ন হচ্ছে কুলটির জলাশয়   •   WTC 2027-এ শিরোপা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ, চাপের কথা স্বীকার করলেন তেম্বা বাভুমা

ক্যাগ রিপোর্টে আমফান ত্রাণে অনিয়মের অভিযোগ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দফতরে আর্থিক সাহায্য নিয়ে প্রশ্ন

07 Aug 2026
08:11 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গে আমফান ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতের নিয়ন্ত্রক ও মহালেখা পরীক্ষক (CAG)-এর রিপোর্টে অভিযোগ করা হয়েছে, মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ দফতরের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে একাধিক অনিয়ম ও আর্থিক গরমিলের ঘটনা সামনে এসেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, একই উপভোক্তাকে একাধিকবার আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে। ক্যাগের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মোট ১,১৭৪ জন উপভোক্তা একাধিকবার সরকারি আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন, যা সরকারি সহায়তা বণ্টনের স্বচ্ছতা ও যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

ক্যাগের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবী ও প্রাণিসম্পদ নির্ভর পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সময় উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ে যথাযথ নজরদারির অভাব ছিল। এর ফলে একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার অর্থ বরাদ্দের অভিযোগ উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্যোগ-পরবর্তী ত্রাণ বণ্টনের ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডেটাবেসের সমন্বয় এবং উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই আরও কঠোর হলে এ ধরনের অনিয়ম এড়ানো সম্ভব।

এদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ক্যাগের রিপোর্টকে সামনে এনে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

অন্যদিকে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ব্যাখ্যার দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকদের। সরকার কী অবস্থান নেয় এবং রিপোর্টে উল্লিখিত পর্যবেক্ষণ নিয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেটাই এখন দেখার।