Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

যাদবপুরে দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে সরব দিলীপ ঘোষ, জাতীয়তাবোধের পক্ষে বার্তা

12 Sep 2026
09:35 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কথিত দেশবিরোধী স্লোগান ও বিচ্ছিন্নতাবাদী মানসিকতা নিয়ে সরব হলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, যে বাংলা ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে এবং যে বাংলার মনীষীরা জাতীয় সংগীত ও ‘বন্দে মাতরম’-এর মতো কালজয়ী সৃষ্টি উপহার দিয়েছেন, সেই বাংলার মাটিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশবিরোধী স্লোগান অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও কলঙ্কজনক।

দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, জ্ঞানচর্চার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে বিভ্রান্তিকর ভাবাদর্শের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে কিছু তরুণ শিক্ষার্থীকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর মতে, শিক্ষাঙ্গনে এমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত নয়, যেখানে দেশবিরোধী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী চিন্তাভাবনা প্রশ্রয় পায়।

তিনি আরও বলেন, দেশের সর্বত্র বর্তমানে জাতীয়তাবোধের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ‘বন্দে মাতরম’-এর আদর্শ ও ভারতীয় মূল্যবোধকে সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজন রয়েছে। শিক্ষাঙ্গনেও ইতিবাচক রাষ্ট্রীয় চিন্তাভাবনা এবং জাতীয় সংহতির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেন তিনি।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বার্তা, দেশবিরোধী স্লোগানের পরিবর্তে শিক্ষাঙ্গন থেকে ধ্বনিত হওয়া উচিত “ভারত মাতা কি জয়”। তাঁর মতে, ভারতীয় মূল্যবোধ, জাতীয় সংহতি এবং ইতিবাচক চিন্তাভাবনার প্রসারের মাধ্যমেই শিক্ষার পরিবেশে প্রকৃত পরিবর্তন আনা সম্ভব।