Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
চোরবাগান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে সরকার, স্নেহা ভাণ্ডারী ও বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন   •   নেতার সঙ্গে একটি ছবি, নাকি রাজনৈতিক পরিচয়ের শংসাপত্র? কর্মীর আসল পরিচয় ছবিতে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোয়   •   ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিকের পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী ও পরিচালক সুচন্দ্রা বানিয়া   •   কোচবিহারে বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বিক্ষোভ পরিবারের   •   দৌড়ানো পছন্দ নয়? সমপরিমাণ ক্যালোরি খরচ করতে বেছে নিন এই ৮টি বিকল্প ব্যায়াম   •   এসআইআর-এ বাদ পড়া বৈধ নাগরিকদের ভোটাধিকার ফেরানোর দাবিতে ধনেখালি হল্টে বিক্ষোভ, পোড়ানো হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কুশপুতুল

নিউটাউনে ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর ভূমিপুজো ও শিলান্যাস, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী

04 Sep 2026
06:03 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতার নিউটাউনে আয়োজিত হল ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’-এর ভূমিপুজো ও শিলান্যাস অনুষ্ঠান। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষকে স্মরণীয় করে তুলতে এই ফিল্ম সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিল্পীদের সঙ্গে মহানায়কের অবদানকে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে।

নিউটাউনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রশাসনিক আধিকারিক, চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং সাংস্কৃতিক মহলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি রয়েছে। ভূমিপুজো ও শিলান্যাসের মাধ্যমে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বছরজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁর অভিনয়, চলচ্চিত্রে অবদান এবং বাংলা সংস্কৃতিতে তাঁর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে নিউটাউনে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে এই প্রকল্প গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা রয়েছে।