শেষ লগ্নে সুপারহিট শো! সাগরে তৃণমূলের স্টার প্রচার
- ফ্যাক্ট ফাইল | Apr 30, 2026
নিজস্ব প্রতিনিধি,জেলার বার্তা ডেস্ক :-রবিবার সকালে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে জোর কদমে ঝাঁপিয়ে পড়ল তৃণমূল কংগ্রেস। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর বিধানসভা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে ওঠে। তৃণমূল প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা-র সমর্থনে এক বর্ণাঢ্য রোড শো অনুষ্ঠিত হয় নামখানা ব্লকের অন্তর্গত নামখানা এলাকা থেকে নামখানা সাতমাইল বাজার পর্যন্ত।এই রোড শো-তে অংশ নেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূল নেত্রী জুন মালিয়া। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের পরিচিত মুখ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও রোড শো-তে অংশ নেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার এবং প্রার্থী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা নিজেও।রবিবার সকালের এই রোড শো ঘিরে এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়। রাস্তাজুড়ে দলীয় পতাকা, ব্যানার এবং কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো ছিল। স্থানীয় মানুষের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য, যা তৃণমূল শিবিরকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

নিজস্ব চিত্র
রোড শো শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জুন মালিয়া বলেন, সাগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা এক লক্ষেরও বেশি ভোটে জয়ী হবেন বলে তিনি আশাবাদী। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দেবে এবং চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কেই বেছে নেবে।এদিন তিনি বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে বলেন, “নিন্দুকেরা এখন আর সরাসরি রাজনীতির ময়দানে লড়াই করতে পারছে না। তাই তারা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়ো ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করছে।” তিনি কর্মী-সমর্থকদের এই ধরনের ভুয়ো প্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।রাজনৈতিক মহলের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই ধরনের তারকাখচিত রোড শো তৃণমূলের প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এবং উপকূলবর্তী এলাকায় এই প্রচারের প্রভাব কতটা পড়বে, তা ভোটের ফলেই স্পষ্ট হবে।এদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের মতো করে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তৃণমূল শিবিরের দাবি, সাধারণ মানুষের সমর্থন তাদের দিকেই রয়েছে এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতাই তাদের জয়ের প্রধান হাতিয়ার।সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে সাগর বিধানসভা কেন্দ্র এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শেষ মুহূর্তের প্রচারে যে জোর লড়াই চলছে, তা থেকেই বোঝা যাচ্ছে—এই কেন্দ্রের ফলাফল রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে।
