লোগোতে টাচ করুন

যোগাযোগ :- 8016367537/8648868278


Email ID: zillarbartaoffical@gmail.com


Registration No: WB-18-0064025

বিজ্ঞাপনের জন্য

যোগাযোগ :- 7478809472


জয়, না পরাজয় ?

  • সম্পাদকীয় কলম | Jul 11, 2023

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা না - যা ভেবেছিলাম সেটা সম্ভব হলো না। সম্ভব হবার কথাও নয়। চাওয়া পাওয়া যে মানুষের অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। বেড়ে গিয়েছে তাদের অভাব অভিযোগের কথা। প্রতিবাদ প্রতিকার সবটাই মিলেমিশে হয়তো ওই ভোট বাক্সের মধ্যে কিছুটা প্রতিকার করার চেষ্টাও করেছিল সাধারণ ভোটাররা। কিন্তু কোথায় কি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হয়তো সেই মান- অভিমান, ব্যালট বক্সের মধ্যে মানুষ হয়তো বোঝাবার চেষ্টা করত। কিন্তু শনিবার নির্বাচনের সারাদিনটাই দেখলে বোঝা গেছে যে মানুষের জবাব ব্যালট বক্সে কতটা দিতে পেরেছে। মানুষতো চেয়েছিল তাদের অধিকার ফলাতে। মানুষতো চেয়েছিল তাদের চাওয়া পাওয়ার জন্য  কিছু একটা করতে। না সেটা এবারেও সম্ভব হলো না ।যে ভোট উৎসব তারা ভেবেছিল ,যে ভোট নিয়ে মাথায় করে রেখেছিল, সে ভোট এবারে আর ভোটই হলো কোথায়। এটা যদিও আমাদের বক্তব্য নয় ।এ বক্তব্য যারা ওই ব্যালট বক্সে নিজেদের অধিকার ফলাতে পারেনি। অথচ নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ, নির্বাচন কমিশন সবার উপরে তো আস্তা রেখেছিল সাধারণ মানুষ সাধারণ ভোটাররা ।তাহলে এমন কেন হলো। আসলে এই বাংলা গণতন্ত্রের উপরে অনেকটাই ভরসা করে না ।কারণ এই বাংলা আজও ভরসা করে রাজতন্ত্রের উপরে ।
 
 
নিজস্ব চিত্র
 
আর সে কারণেই আজ এমন দশা। দেখতে দেখতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বেশ কয়েকটি জায়গায় উপনির্বাচন হয়েছে ঠিকই। কিন্তু সেই উপনির্বাচনেও কিন্তু আঙুল উঠেছে সাধারণ ভোটারদের দিক দিয়ে। তাহলে কোথায় আস্তা। কোথায় নিরাপত্তা। কোথায় তাদের অধিকার নিয়ে ভরসা করা। আসলে সাধারণ ভোটারদের অধিকারটা অনেকটা হরণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে কিছু স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক মানুষ। সময় গেছে, দেখতে দেখতে নির্বাচনী ফলাফলের দিন টাও চলে এসেছে। মঙ্গলবার সকাল হতে সাধারণ ভোটাররা ভেবেছিল হয়তো এই স্বজনপোষণ দুর্নীতির আকরা দূর করে অনেকটাই নতুন সূর্য দেখবে। নতুন করে সমাজে পথ চলা শুরু করবে। সূর্য সত্যিই উঠেছে ।আর যে সূর্য উঠেছে বোমা- বন্দুক, রাহাজানি, বাস লাঠি নিয়ে ছোটাছোটি ।এ অভিযোগ শুধুমাত্র শাসকের বিরুদ্ধে । কারণ মঙ্গলবার দিনভর দক্ষিণ 24 পরগনার জেলার বিভিন্ন এলাকায় এভাবেই দিনটা শুরু হয়েছে।যদিও সামাল দেবার চেষ্টা করেছে বাংলার পুলিশ। কিন্তু অনেক পরে। তাহলে এ ভোটের  মানে কি? যে ভোট সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হনন করে নেয় অধিকার।যে ভোট সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলে। এলাকা ছেড়ে পলানোর চেষ্টা করে শাসক দলের সমর্থক বিরোধীদের সমর্থকরা।এর মানে কি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার শক্ত ঘাটি  হিসেবে পরিচিত ঘাসফুল শিবিরের। এবারের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৩১০ টাকা গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে হাতে-গোনা কয়েকটি ছাড়া বাকিটাই কিন্তু ঘাসফুল শিবিরে দখলে রেখেছে। আসলে সাধারণ ভোটারদের কাছে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে নবজোয়ারের অনেকটা ক্যালমা। আসলে পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ আর সক্রিয় কর্মীরা মনে করছে এটা কোন ভোট নয়, এটা কোন জয় নয়। এটা শুধু হনন করা, ছিনিয়ে নেওয়ার জোর করে কেড়ে নেওয়া বাংলার কিছু মানুষের রাজনীতি। তবু হলেও চুরি করুক , আর টুকে পাশ করুক পাস তো করেছে । ত্রিস্তর পঞ্চায়েত মসনদ দখল করেছে পাঁচ বছরের জন্য ।তারাই তো সব কিছু করবে। আমরা চাই আর আগের মতন যেন এভাবে পঞ্চায়েত হোক ,জেলা পরিষদ হোক বা পঞ্চায়েত সমিতি কোনোভাবে চোরের বদনাম, দুর্নীতির বদনাম এসব কিছু আর যেন না হয়। ভালোভাবে চলুক, জয়ী প্রার্থীদের চলার পথ। ভালোভাবে তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াক ।মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করুক। সমাজের প্রতি কাজ করার অঙ্গীকার যেমন আমাদের রয়েছে তেমনি যারা জয়ী প্রার্থী তারাও অঙ্গীকারবদ্ধ হোক ।