Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

রাজ্যে পালিত হবে ‘বই দিবস’, ২ জানুয়ারি সব স্কুলে উদযাপনের নির্দেশ

04 Aug 2026
10:06 AM

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক : শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়া এবং বই পড়ার সংস্কৃতিকে আরও উৎসাহিত করতে রাজ্যে প্রতি বছর ২ জানুয়ারি ‘বই দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই প্রতিটি বিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। স্কুল শিক্ষামন্ত্রী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে কোনও শিক্ষার্থী বই ছাড়া নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু করতে না হয়।

‘বই দিবস’-এর মূল উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো পাঠ্যবই তুলে দেওয়ার পাশাপাশি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো। এদিন বিভিন্ন স্কুলে বই বিতরণ, পাঠচক্র, গ্রন্থাগারভিত্তিক কর্মসূচি এবং পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গেছে।

এছাড়াও, জেলার শিক্ষা আধিকারিক এবং স্কুল কর্তৃপক্ষকে বই বিতরণের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও যাতে বই সরবরাহে বিলম্ব না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে।

শিক্ষা মহলের মতে, নতুন বছরের শুরুতেই ‘বই দিবস’ পালন এবং সময়মতো পাঠ্যপুস্তক বিতরণের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়গুলিতে পাঠাভ্যাস ও গ্রন্থাগার ব্যবহারের সংস্কৃতিও আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।