Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

পাক জঙ্গিদের নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! হামিমের উপর ছিল নজরদারির দায়িত্বের অভিযোগ

02 Aug 2026
03:48 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - রাজ্যের নিরাপত্তা নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। সাংবাদিক সম্মেলনে এসটিএফের আইজি গৌরব শর্মা দাবি করেছেন, পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিদের সম্ভাব্য হিটলিস্টে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তদন্তে উঠে এসেছে, মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ধৃত অভিযুক্ত হামিমকে।

এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামিমের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য, ডিজিটাল প্রমাণ এবং তদন্তে পাওয়া বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখে এই তথ্য সামনে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে, মুখ্যমন্ত্রীর চলাফেরা, কর্মসূচি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছিল।

সাংবাদিক বৈঠকে আইজি গৌরব শর্মা জানান, হামিমকে নির্দিষ্টভাবে নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। যদিও সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা এখনও তদন্তাধীন।

ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। তদন্তকারীরা এই ঘটনায় আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য যোগসূত্রও খতিয়ে দেখছেন।

এসটিএফ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ধৃত অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় অন্য কোনও সহযোগী বা মদতদাতা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে এখনও পর্যন্ত তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এমন কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, যা আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে এসটিএফের এই দাবিগুলি তদন্তের অগ্রগতির অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।