Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

বারুইপুর থানায় জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্রের বিরুদ্ধে এফআইআর, তদন্ত শুরু

26 Jul 2026
11:21 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্রের বিরুদ্ধে বারুইপুর থানায় একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। অভিযোগকারী রমেন সরদার, যিনি বলরামপুর এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় মাংস ব্যবসায়ী। অভিযোগে জয়ন্ত ভদ্রের পাশাপাশি তাঁর গাড়ির চালক বিশ্বজিৎ ঘোষ এবং আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটির সূত্রপাত করোনা লকডাউনের সময়। রমেন সরদারের দাবি, তাঁর দোকান থেকে প্রায় ২০ কেজি মাংস বিনামূল্যে বা বাকিতে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেই দাবি মানতে অস্বীকার করলে তাঁর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি, তিনি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক নন—এই কারণেও তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

রমেন সরদারের অভিযোগ, এরপর তাঁর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয় এবং তাঁদের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এই ঘটনায় জয়ন্ত ভদ্রের গাড়ির চালক বিশ্বজিৎ ঘোষসহ কয়েকজন সরাসরি জড়িত ছিলেন বলেও এফআইআরে দাবি করা হয়েছে।

হামলার পর নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র ভাড়াবাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। রমেন সরদারের আরও দাবি, ঘটনার সময় তিনি বারুইপুর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলেও পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেনি।

সম্প্রতি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি নতুন করে সাহস সঞ্চয় করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

এখনও পর্যন্ত জয়ন্ত ভদ্র বা অন্য অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের সব দিক খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।