Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

পঞ্চায়েত আইনে সংশোধনের লক্ষ্যে বিধানসভায় বিল পেশ, বিকেন্দ্রীকরণের গুরুত্ব তুলে ধরলেন মন্ত্রী

26 Jul 2026
04:40 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক-  রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে পঞ্চায়েত আইনে সংশোধন আনার বিল বিধানসভায় পেশ করা হয়েছে। বিলটি উপস্থাপন করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী দেশের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার ইতিহাস, সাংবিধানিক ভিত্তি এবং স্থানীয় স্বশাসনের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন।

আলোচনায় মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই গ্রামীণ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে সংবিধানের ৭৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে পঞ্চায়েতকে সাংবিধানিক মর্যাদা দেওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসনে মানুষের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিলের পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী দাবি করেন, প্রশাসনিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ হলে স্থানীয় স্তরে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান আরও সহজ হয়। তাঁর মতে, গ্রামাঞ্চলের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শক্তিশালী পঞ্চায়েত ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিধানসভার আলোচনায় মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পঞ্চায়েত আইনে কিছু সংশোধন প্রয়োজন হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই এই বিল আনা হয়েছে, যাতে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পরিষেবা প্রদানের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পায়।

তবে বিরোধী সদস্যরা বিলের কয়েকটি ধারা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং সংশোধনের প্রস্তাব দেন। তাঁদের বক্তব্য, আইন পরিবর্তনের পাশাপাশি পঞ্চায়েতগুলির আর্থিক ও প্রশাসনিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিলটি নিয়ে বিধানসভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে পরবর্তী আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। চূড়ান্তভাবে বিলটি গৃহীত হলে সংশোধিত বিধান অনুযায়ী রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় নতুন কিছু প্রশাসনিক পরিবর্তন কার্যকর হতে পারে।