Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

কাকদ্বীপ পঞ্চায়েত ভোট-হিংসা মামলা: দেবুদাস ও তাঁর স্ত্রী খুনে ১০ জন গ্রেপ্তার, তদন্তে নতুন মোড়

24 Jun 2026
09:27 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় ঘটে যাওয়া হিংসাত্মক ঘটনার মামলায় ফের বড়সড় অগ্রগতি। দেবুদাস ও তাঁর স্ত্রীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে ইতিমধ্যেই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় নতুন করে তদন্তের গতি বাড়তেই একের পর এক গ্রেপ্তারি সামনে আসছে।

পরিবারের অভিযোগ, ওই সময় এক সিপিএম কর্মীকে জ্যান্ত পুড়িয়ে খুন করা হয় এবং ঘটনাটিকে পরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। নিহতদের পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন তাঁরা এবং প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।

ঘটনার দীর্ঘ বছর পর বিচার চেয়ে দেবুদাসের ছেলে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত বিচার ও দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়। প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তদন্তে কোনো গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জনের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। আরও কয়েকজন অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। এই ঘটনার পর কাকদ্বীপ এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০১৮ সালের ওই নির্বাচনী হিংসার স্মৃতি এখনও অনেক পরিবারের মনে দগদগে ক্ষত হয়ে রয়েছে। প্রশাসনের এই তৎপরতায় কিছুটা হলেও ন্যায়বিচারের আশা দেখছেন নিহতদের পরিবার।