Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা

মহানায়ক উত্তম কুমারের স্মৃতিতে একাধিক উদ্যোগ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

24 Jul 2026
07:19 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - মহানায়ক উত্তম কুমারের ৪৭তম প্রয়াণ দিবসে তাঁর স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদানকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হবে।

এছাড়াও, কলকাতায় মহানায়ক উত্তম কুমারের নামে একটি আধুনিক ফিল্ম সেন্টার গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কেন্দ্রটি চলচ্চিত্রচর্চা, গবেষণা, সংরক্ষণ এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী উত্তম মঞ্চের সংস্কার ও আধুনিকীকরণের দায়িত্বও রাজ্য সরকার নিয়েছে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। উন্নত পরিকাঠামো, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দর্শকবান্ধব সুবিধা যুক্ত করে উত্তম মঞ্চকে নতুন রূপ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি মহানায়ক উত্তম কুমারের স্মৃতি ও উত্তরাধিকার সংরক্ষণে রাজ্য সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চায়। জন্মশতবর্ষ উদযাপন, নতুন ফিল্ম সেন্টার নির্মাণ এবং উত্তম মঞ্চের আধুনিকীকরণ—এই তিনটি উদ্যোগ বাংলা সংস্কৃতি ও চলচ্চিত্র জগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।