Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

সুবর্ণরেখার ভাঙনে আতঙ্কে ঝাড়গ্রামের মালিঞ্চা গ্রাম, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে সরব বাসিন্দারা

19 Jul 2026
12:00 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,জেলার বার্তা ডেস্ক-  বর্ষার শুরুতেই সুবর্ণরেখা নদীর ভাঙনে চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে ঝাড়গ্রামের মালিঞ্চা গ্রামে। নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং তীব্র স্রোতের জেরে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় নদীভাঙন শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ভাঙনের ফলে বেশ কিছু চাষের জমি ও ভিটেমাটি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। ফলে ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন গ্রামবাসীরা।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, নদীর একেবারে কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একাধিক বসতবাড়ি। যে কোনও সময় আরও বড়সড় ভাঙন দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়েছে বহু পরিবারের। অনেকেই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছেন, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়া যায়।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রতি বর্ষাতেই সুবর্ণরেখার ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। অস্থায়ীভাবে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হয়নি। ফলে বছর বছর একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তাঁদের দাবি, স্থায়ী নদীবাঁধ নির্মাণ এবং বিজ্ঞানসম্মত নদীভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

স্থানীয়দের মতে, শুধু বসতবাড়িই নয়, বিস্তীর্ণ কৃষিজমিও নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এতে বহু কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং জীবিকা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন তাঁরা।

এদিকে, প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে বলে জানা গেছে। ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলির পর্যবেক্ষণ চলছে এবং প্রয়োজন হলে জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে গ্রামবাসীদের দাবি, অস্থায়ী ব্যবস্থা নয়, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণই এই সমস্যার একমাত্র দীর্ঘমেয়াদি সমাধান।

বর্ষা যত এগোবে, নদীর জলস্তর আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।