Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
'মদন মিত্রের মন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে, শরীর বেইমানদের কাছে'— কুণাল ঘোষের মন্তব্যে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক   •   তৃণমূল ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে মদন মিত্র, রাজ্য রাজনীতিতে জোর চর্চা   •   ‘জনতার দরবার’-এ মানুষের অভিযোগ শুনে কড়া বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর, বারাসাত ধর্ষণকাণ্ডে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের আশ্বাস   •   শর্তসাপেক্ষে ২১ জুলাই সভার অনুমতি পেল কালীঘাট তৃণমূল, ভিক্টোরিয়া হাউজ নয়—বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সমাবেশে ছাড়   •   করুণাময়ী বাস টার্মিনাসে নতুন বাস পরিষেবার উদ্বোধন, উপস্থিত রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং   •   কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ? ১৮ কোটি বরাদ্দের পরও বেহাল ২২ কিমি রাস্তা, পাঁশকুড়ায় নতুন টেন্ডারের আশ্বাস

গ্রাম পঞ্চায়েতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত, প্রধানদের আর্থিক ক্ষমতা সরকারি আধিকারিকদের হাতে? বার্তা পঞ্চায়েত মন্ত্রীর

15 Jul 2026
03:40 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক -  গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রশাসনিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তনের পথে এগোতে পারে রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে থাকা কিছু আর্থিক ক্ষমতা সরকারি আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। সরকারের লক্ষ্য, উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকর করা।

পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, উন্নয়নের কাজে অযথা বিলম্ব বা প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় কিছু কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারি আধিকারিকদের ভূমিকা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

সরকারি সূত্রের দাবি, এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ এবং বাস্তবায়নের গতি আরও বাড়তে পারে। পাশাপাশি সরকারি অর্থের ব্যবহার ও প্রকল্পের বাস্তবায়নে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যও রয়েছে।

তবে এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সরকারি নির্দেশিকা জারি হয়নি। প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের আগে প্রশাসনিক ও আইনি দিকগুলি খতিয়ে দেখা হবে বলে সূত্রের খবর।

এই সম্ভাব্য পরিবর্তন কার্যকর হলে রাজ্যের পঞ্চায়েত প্রশাসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের একাংশ। এখন নজর রাজ্য সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের দিকে।

news home ads