Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা   •   হুগলির পুরশুড়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্পের শুভ সূচনা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’-এর পরিচালক

‘জনতার দরবার’-এ মানুষের অভিযোগ শুনে কড়া বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর, বারাসাত ধর্ষণকাণ্ডে দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের আশ্বাস

15 Jul 2026
09:47 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য কার্যালয়ে আয়োজিত ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা শোনেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। কর্মসূচিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ তাঁদের ব্যক্তিগত ও জনস্বার্থ-সংক্রান্ত একাধিক বিষয় তুলে ধরেন।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মানুষের সেবা করাই তাঁদের অঙ্গীকার। তিনি আশ্বাস দেন, প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

এদিন তিনি বারাসাতের ধর্ষণকাণ্ড প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া জানান। ঘটনার দ্রুত ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত এবং দোষীদের কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না।

এছাড়াও, রাজনৈতিক হিংসার ঘটনায় আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের পরিবারের পাশেও দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে অন্যায়ের শিকার যে কোনও মানুষের পাশে থাকা প্রয়োজন।

সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, "অন্যায়কে বরদাস্ত করা হবে না। আইনের পথে আইন চলবে। কোনওভাবেই অপরাধকে মাফ করা বা প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়।"

এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শোনার উদ্যোগ এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে তাঁর বক্তব্য আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে।