Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

ফেমিনা অ্যান্ড গ্রাজিয়া ফ্যাশন রানওয়ে ইস্ট ২০২৬’-এ পুরনো পেশার স্মৃতিচারণ নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর

29 Sep 2026
05:51 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কলকাতায় আয়োজিত ‘ফেমিনা অ্যান্ড গ্রাজিয়া ফ্যাশন রানওয়ে ইস্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নিজের ফ্যাশন ডিজাইনার জীবনের স্মৃতিচারণ করলেন পশ্চিমবঙ্গের নগরোন্নয়ন মন্ত্রী। ২৮ সেপ্টেম্বরের এই অনুষ্ঠানকে তিনি ফ্যাশন, কারুশিল্প, সৃজনশীলতা এবং পূর্ব ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উদযাপন হিসেবে তুলে ধরেছেন।

অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে নগরোন্নয়ন মন্ত্রী জানান, জনসেবার জগতে আসার আগে দীর্ঘদিন তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন। তাঁর পেশাগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে স্কেচপ্যাড, সেলাই মেশিন এবং ফ্যাশন রানওয়েকে ঘিরে। তাঁর কথায়, ফ্যাশন ছিল এমন একটি ভাষা, যার মাধ্যমে তিনি কয়েক দশক ধরে নিজের সৃজনশীলতাকে প্রকাশ করেছেন।

জনসেবায় প্রবেশের পর নগর উন্নয়নের মতো সম্পূর্ণ ভিন্ন ক্ষেত্রের দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর মতে, ফ্যাশন এবং নগর উন্নয়ন—দুই ক্ষেত্রেই প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা, ভারসাম্য, সৃজনশীলতা এবং মানুষের প্রয়োজন বোঝার ক্ষমতা।

ফ্যাশন রানওয়ের এই অনুষ্ঠানে পূর্ব ভারতের বিভিন্ন ডিজাইনার, কারুশিল্পী ও সৃজনশীল প্রতিভার কাজের প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলার ঐতিহ্যকে শুধু সংরক্ষণ করলেই হবে না, বরং সেই সৃজনশীলতাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।

নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর কথায়, কাজের ক্ষেত্র ও ক্যানভাস বদলালেও সৃষ্টি করা, মানুষের সেবা করা এবং অর্থবহ কিছু গড়ে তোলার আগ্রহ তাঁর মধ্যে এখনও একইভাবে রয়েছে। বাংলার সৃজনশীলতা বিশ্বমঞ্চে আরও উজ্জ্বলভাবে জায়গা করে নেওয়ার যোগ্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।