নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: উন্নত জাতের ODC-3 সজিনা বীজ নিয়ে কৃষক ও বাড়ির বাগানপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। এই জাতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে দ্রুত বৃদ্ধি, তুলনামূলক কম জলের প্রয়োজন এবং ভালো ফলনের কথা বিভিন্ন বীজ সরবরাহকারী সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। একটি ODC-3 বীজ সরবরাহকারীর তথ্য অনুযায়ী, বপনের পর প্রায় ৩–৪ মাসে ফুল আসতে শুরু এবং প্রায় ৬ মাসে প্রথম ফলন পাওয়ার দাবি করা হয়।
সজিনা শুধু সবজি হিসেবেই নয়, পুষ্টিগুণের কারণেও গুরুত্বপূর্ণ। ICAR-এর তথ্য অনুযায়ী, সজিনার পাতায় ভিটামিন A ও C, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং প্রোটিনসহ একাধিক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। সাম্প্রতিক ICAR প্রকাশনাতেও সজিনার পাতা, ফল, বীজ ও ফুলের পুষ্টিগত গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
ODC-3 সজিনা বড় জমিতে চাষের পাশাপাশি উপযুক্ত বড় টব বা কন্টেনারে বাড়ির বাগান ও ছাদবাগানেও চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে টবের আকার, মাটির গুণমান, পর্যাপ্ত সূর্যালোক, জল নিষ্কাশন এবং নিয়মিত পরিচর্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ODC-3 নিয়ে কিছু বাণিজ্যিক চাষ নির্দেশিকায় টব বা নির্দিষ্ট পাত্রে চারা তৈরির কথাও উল্লেখ রয়েছে।
বীজতলা বা টবে ঝুরঝুরে, জল নিষ্কাশনযুক্ত মাটি ব্যবহার করতে হবে। বীজ অল্প গভীরে বপন করে পরিমিত জল দিতে হবে এবং অতিরিক্ত জল জমতে দেওয়া যাবে না। একটি ODC-3 চাষ নির্দেশিকায় ১০–১৮ দিনের মধ্যে অঙ্কুরোদগমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে বীজের অঙ্কুরোদগমের হার ও ফলনের দাবি বীজের মান, পরিবেশ ও পরিচর্যার উপর নির্ভর করে। তাই বীজ কেনার সময় প্যাকেটের জাত, উৎস, ব্যাচ ও অঙ্কুরোদগম সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
দ্রুত ফলন, পুষ্টিগুণ এবং বাড়ির ছাদবাগানে চাষের সম্ভাবনা—এই তিন কারণে ODC-3 সজিনা কৃষি ও বাড়ির বাগান, দুই ক্ষেত্রেই নজর কাড়ছে।