Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের! কিষান সম্মান নিধির পাশাপাশি মিলবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা, ধান চাষিদের জন্যও বিশেষ সুবিধা   •   শীতকালীন সবজির চারা তৈরির প্রস্তুতি শুরু, ভালো ফলনের আশায় ব্যস্ত কৃষকরা   •   শীতের আগমনী বার্তা বাংলায়! শনিবার থেকেই নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ, কালীপুজোর সকালে মিলবে হালকা শীতের আমেজ   •   জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?

দু’মাস ধরে বিদ্যুৎহীন ঠহরম ৪ নম্বর, ECL-এর সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপের সামনে গ্রামবাসীদের ধর্না

13 Sep 2026
10:57 AM

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: দু’মাস ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার অভিযোগ তুলে এবার আন্দোলনে নামলেন কুলটির ঠহরম ৪ নম্বর এলাকার বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করার দাবিতে আজ ECL-এর নিয়ামতপুর সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপের গেটের সামনে ধর্নায় বসেন এলাকার বাসিন্দারা।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘ প্রায় দু’মাস ধরে এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এর ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে পড়ুয়াদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি অসুস্থ ও বয়স্ক মানুষদেরও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। গরমের মধ্যে দিনের পর দিন বিদ্যুৎহীন অবস্থায় অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।

আন্দোলনকারীদের দাবি, ECL-লাগোয়া বিভিন্ন এলাকায় বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু রয়েছে। আশপাশের অন্য বস্তি এলাকাতেও বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও ঠহরম ৪ নম্বর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিষেবা বন্ধ। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।

এদিন সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপের গেটের সামনে ধর্নায় বসে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা চালুর দাবি জানান বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, বিদ্যুৎ পরিষেবা মানুষের ন্যূনতম নাগরিক প্রয়োজন। দ্রুত সমস্যা সমাধান না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা।

তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ECL কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণ কী এবং কবে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও উদ্বেগ।