গঙ্গাসাগরে উদ্ধার সরকারি ত্রাণও এনজিও সামগ্রী।
- পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন | May 29, 2026
গঙ্গাসাগরে উদ্ধার সরকারি ত্রাণও এনজিও সামগ্রী।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- দক্ষিণ ২৪ পরগণার গঙ্গাসাগর এলাকার খাস রামকর চরে সরকারি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূল কর্মী ভূপতি মাইতি এবং এক বুথ সভাপতির দিকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রামকর চর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৫ নম্বর বুথের তৃণমূল কর্মী ভূপতি মাইতির দোকানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৪৩টি ত্রিপল, ১১ বস্তা মাছের খাবার, ১৩ বস্তা চুন এবং ২ বস্তা মিস। অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর গায়ে সরকারি দফতর ও বিভিন্ন এনজিওর সিলমোহর ছিল।

নিজস্ব চিত্র
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করার বদলে ত্রাণ সামগ্রী রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। বিপর্যয় মোকাবিলা ও দুঃস্থদের সহায়তার জন্য পাঠানো সামগ্রী ব্যক্তিগত দোকানে কেন রাখা হয়েছিল, তা নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন।
অভিযুক্ত ভূপতি মাইতি অবশ্য সমস্ত দায় এড়িয়ে দাবি করেছেন, এই সামগ্রী তাঁর নয়। তাঁর বক্তব্য, “ওই এলাকার তৃণমূল বুথ সভাপতি ভোটের আগে নিজের দায়িত্বে এই জিনিসগুলো আমার দোকানে রেখে গিয়েছিলেন।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী সুমন মন্ডল তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন এটি ত্রাণ দুর্নীতির স্পষ্ট উদাহরণ এবং পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। বুথ সভাপতির নাম সামনে আসায় অস্বস্তিতে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।
