Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
২০২৯-এ মুড়িগঙ্গা সেতুর উদ্বোধনের প্রতিশ্রুতি, ছাত্রীদের ৫০ হাজার টাকা ও এক বছরে এক লক্ষ চাকরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর   •   ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ড-ভারতের রোমাঞ্চকর ক্রিকেট লড়াই, উত্তেজনায় সরগরম ক্রিকেটপ্রেমীরা   •   চোরবাগান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে সরকার, স্নেহা ভাণ্ডারী ও বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন   •   নেতার সঙ্গে একটি ছবি, নাকি রাজনৈতিক পরিচয়ের শংসাপত্র? কর্মীর আসল পরিচয় ছবিতে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোয়   •   ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিকের পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী ও পরিচালক সুচন্দ্রা বানিয়া   •   কোচবিহারে বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বিক্ষোভ পরিবারের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান নিয়ে সরব দিলীপ ঘোষ, শিক্ষাঙ্গনে দেশপ্রেমের পরিবেশ গড়ার বার্তা

01 Sep 2026
10:24 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশবিরোধী ভাবধারা ও স্লোগান নিয়ে সরব হলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কিছু নির্দিষ্ট মডিউল ও গোষ্ঠী সক্রিয় ছিল, যারা দেশপ্রেমের পরিবর্তে দেশবিরোধী মানসিকতা ও চরমপন্থী সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে।

দিলীপ ঘোষের দাবি, সময়ের সঙ্গে দেশের বহু অঞ্চল থেকেই এই ধরনের ‘অপসংস্কৃতি’ বিলুপ্ত হয়েছে। তবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাঙ্গনে এখনও কিছু গোষ্ঠী এই ধরনের ভাবধারাকে ‘প্রগতিশীলতা’ বা ‘আধুনিকতা’র আড়ালে ধরে রাখার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একইসঙ্গে বাংলায় দেওয়ালে স্লোগান লেখা এবং নিজেদের মতামত প্রকাশের দীর্ঘ ঐতিহ্যের কথাও উল্লেখ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও দেওয়ালে নিজস্ব চিন্তাভাবনা লেখার সংস্কৃতিকে সম্মান করা উচিত। কিন্তু শিক্ষাঙ্গনের দেওয়াল কিংবা অন্য কোনও স্থানে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা বা প্রচারকে কোনওভাবেই অনুমতি দেওয়া যায় না।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র শিক্ষার কেন্দ্র নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তাই শিক্ষা প্রাঙ্গণে দেশপ্রেম, ইতিবাচক চিন্তাভাবনা এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনেও নতুন চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে পরিবর্তন আসবে। দেশপ্রেম ও সুসংস্কৃতির পরিবেশ তৈরি করাই হওয়া উচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির অন্যতম লক্ষ্য।