Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
২০২৯-এ মুড়িগঙ্গা সেতুর উদ্বোধনের প্রতিশ্রুতি, ছাত্রীদের ৫০ হাজার টাকা ও এক বছরে এক লক্ষ চাকরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর   •   ক্রাইস্টচার্চে নিউজিল্যান্ড-ভারতের রোমাঞ্চকর ক্রিকেট লড়াই, উত্তেজনায় সরগরম ক্রিকেটপ্রেমীরা   •   চোরবাগান দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে সরকার, স্নেহা ভাণ্ডারী ও বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন   •   নেতার সঙ্গে একটি ছবি, নাকি রাজনৈতিক পরিচয়ের শংসাপত্র? কর্মীর আসল পরিচয় ছবিতে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোয়   •   ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিকের পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী ও পরিচালক সুচন্দ্রা বানিয়া   •   কোচবিহারে বেসরকারি নার্সিংহোমে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে বিক্ষোভ পরিবারের

রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্নতা নির্দেশিকা লঙ্ঘনে জরিমানা, কড়া বার্তা অগ্নিমিত্রা পালের

01 Sep 2026
09:43 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কলকাতা: রাস্তাঘাট ও জনসাধারণের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন পুরনিগম, পুরসভা ও নোটিফায়েড এলাকায় পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত নিয়ম ভাঙলে জরিমানার ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। 

রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, রাস্তায় যত্রতত্র আবর্জনা, প্লাস্টিক বা বর্জ্য ফেলা, প্রকাশ্যে থুতু বা পানের পিক ফেলা এবং নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া প্রস্রাব বা মলত্যাগের মতো কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জনসাধারণের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো। 

মন্ত্রী জানান, নাগরিকদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন এলাকায় ডাস্টবিন বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কোথাও ডাস্টবিন না থাকলে রাস্তায় আবর্জনা না ফেলে তা প্যাকেটে সংরক্ষণ করে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

এছাড়াও নির্মাণকাজের সময় রাস্তার উপর ইট, বালি, পাথর বা অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার বিরুদ্ধেও জরিমানার কথা স্পষ্ট করেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর বক্তব্য, রাস্তা কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; নির্মাণসামগ্রী নিজের জায়গার মধ্যেই রাখতে হবে। 

প্রশাসনের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য শুধু জরিমানা আদায় নয়, বরং নাগরিকদের অভ্যাসে পরিবর্তন এনে শহর ও পুর এলাকাগুলিকে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর এবং বাসযোগ্য করে তোলা। নতুন নিয়ম কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।