নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক : তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে ক্যাথিড্রাল রোডে আয়োজিত হল বিশেষ কর্মসূচি ও রাখিবন্ধন উৎসব। ছাত্র-যুবদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহে পালিত হল প্রতিষ্ঠা দিবস। রাখিবন্ধনের মাধ্যমে উঠে এল ঐক্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা।
প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের একাধিক মুখ। রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে বক্তব্য রাখেন কুণাল ঘোষ। বিরোধী কণ্ঠ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিরোধী কণ্ঠ দমন করা যাবে না, এ রাজ্যও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলবে।” তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিভিন্ন বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। কর্মসূচিতে আসার পথে তাঁকে ঘিরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা নিয়েও তিনি সরব হন। অভিযোগ করে তিনি জানান, তাঁকে বাড়ি থেকে বের হতে বাধা দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং রাস্তায় যানজটের পাশাপাশি সভাস্থলের মধ্যে পুলিশের গাড়ি ঢোকানো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস ঘিরে এ বার রাজনৈতিক উত্তাপও যথেষ্ট বেশি। দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজনের আবহে ২৮ অগস্টের কর্মসূচি নিয়ে কালীঘাটপন্থী এবং ঋতব্রতপন্থী দুই শিবিরের মধ্যেই টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে দুই পক্ষকে পৃথক জায়গায় কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কালীঘাটপন্থী শিবিরের কর্মসূচির জন্য ক্যাথিড্রাল রোড এবং ঋতব্রতপন্থী শিবিরের জন্য রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ নির্ধারিত হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে রাখিবন্ধন উৎসবের মঞ্চ থেকে ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।