Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
পালাবদলের পর পঞ্চায়েত-পুরসভায় ক্ষমতার নতুন সমীকরণ! দুর্নীতির অভিযোগ, দলবদল নাকি রাজনৈতিক প্রভাব—কোন পথে এগোবে বাংলার নতুন রাজনীতি?   •   তৃণমূলের হাতছাড়া চাঁদপুর-চৈতন্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েত! অনাস্থায় অপসারিত অনিতা পাইক, নতুন প্রধান বিজেপির শ্যামলী হালদার   •   একটি মুরগির বুকের মাংস থেকে কতটা প্রোটিন পাওয়া যায়? পেশি গঠন থেকে ওজন নিয়ন্ত্রণ, জানুন পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা   •   সকালে জল পান করার আগেই কফি? রক্তচাপের উপর কী প্রভাব পড়ে, জানুন বিশেষজ্ঞদের মত   •   জিম্বাবোয়ে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার! আইসিসি ওয়ানডে বোলিং র‍্যাঙ্কিংয়ে ৫৩ ধাপ এগোলেন ভারতের তরুণ স্পিনার বৈষ্ণবী শর্মা   •   উত্তরবঙ্গের বন্ধ ও অচল চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তা, উৎসবে ৫ হাজার টাকা ও পরিবার পিছু ৫০ কেজি চাল দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

ডায়মন্ড হারবারের নেতৃত্বে কলকাতার মহামিছিলে শামিল বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ স্লোগানে মুখর রাজপথ

02 Nov 2026
09:57 PM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবার দিচ্ছে ডাক, অরাজকতা নিপাত যাক’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কলকাতার রাজপথে আয়োজিত বিজেপির মহামিছিলে অংশ নিল ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থকরা। সোমবার কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ পদযাত্রা। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে এই কর্মসূচিতে যোগ দেন দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।

ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বে এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিভাগের কনভেনর তথা ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা, ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী সোমা ঘোষ এবং সাতগাছিয়া বিধানসভার বিধায়ক অগ্নিশ্বর নস্কর-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দলীয় কর্মী-সমর্থকদের অংশগ্রহণে কলকাতার এই কর্মসূচিতে ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার উপস্থিতি চোখে পড়ে।

কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা—রাজপথে পদযাত্রা

‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হয় বিজেপির এই মহামিছিল। সেখান থেকে কলেজ স্ট্রিট হয়ে মিছিল এগিয়ে যায় ধর্মতলার দিকে। পদযাত্রায় অংশ নেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্য ও জেলা স্তরের একাধিক নেতা এবং দলীয় কর্মী-সমর্থকরা।

দলের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচিকে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষার বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়। মিছিলের স্লোগানে উঠে আসে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা। পাশাপাশি রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়াকে ঘিরে চলা বিতর্কও এই কর্মসূচির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের অংশ ছিল।

ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার সক্রিয় অংশগ্রহণ

এই মহামিছিলে ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বের উপস্থিতি ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনা বিভাগের কনভেনর ও ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা কর্মসূচিতে যোগ দেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভানেত্রী সোমা ঘোষ এবং সাতগাছিয়ার বিধায়ক অগ্নিশ্বর নস্করও।

দলীয় কর্মসূচিতে জেলা নেতৃত্বের এমন অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের একজোট হয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে শামিল হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় মহলের বক্তব্য। ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কর্মীদের উপস্থিতিতে কলকাতার এই পদযাত্রায় জেলার সাংগঠনিক অংশগ্রহণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে বার্তা

মিছিলের মূল স্লোগান ছিল ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মানুষের অধিকার এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা রক্ষার প্রশ্নে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই এই কর্মসূচির আয়োজন। SIR-কে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলির প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে বিজেপি পাল্টা কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে চেয়েছে।

অন্যদিকে, SIR নিয়ে বিরোধী দলগুলির আপত্তি ও প্রতিবাদেরও নিজস্ব রাজনৈতিক বক্তব্য রয়েছে। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধন, নির্বাচনী স্বচ্ছতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতার মহামিছিলকে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জেলা থেকে রাজ্য—সংগঠনের বার্তা

ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্বের অংশগ্রহণে এই মহামিছিল জেলার দলীয় কর্মীদের কাছে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। দেবাংশু পাণ্ডা, সোমা ঘোষ ও অগ্নিশ্বর নস্কর-সহ অন্যান্য নেতৃত্বের উপস্থিতি কর্মসূচিতে সাংগঠনিক গুরুত্ব যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে, কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বিজেপির এই মহামিছিল শুধু কলকাতার রাজপথের কর্মসূচি হিসেবেই নয়, বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলার নেতৃত্ব ও কর্মীদের একত্রিত করার একটি রাজনৈতিক উদ্যোগ হিসেবেও গুরুত্ব পেয়েছে। ‘ডায়মন্ড হারবার দিচ্ছে ডাক, অরাজকতা নিপাত যাক’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে জেলার নেতৃত্বের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরল ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলা।