Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
ওমান কি জয় তুলে নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকাপ লিগ-২-এর সেরা চারে জায়গা নিশ্চিত করতে পারবে? শেষ ম্যাচ ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা   •   সঠিকভাবে SIR হলে আরও ৩০ লক্ষ নাম বাদ পড়ত, দাবি শমীক ভট্টাচার্যের! সরকারি কর্মীদের উপর হামলা ও অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় রাখার চেষ্টা নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা   •   আবাস যোজনার টাকা নিয়ে বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ! হরিণডাঙা-১ পঞ্চায়েতে ২৬ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে গরমিল, থানায় সরকারি অভিযোগ BDO-র   •   সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে বৃষ্টির মেঘ! হুগলি-হাওড়া-নদিয়ায় বৃষ্টি, কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা   •   দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কলকাতা-হাওড়া-সহ ৯ জেলায় আবহাওয়ার পরিবর্তন   •   পালাবদলের পর পঞ্চায়েত-পুরসভায় ক্ষমতার নতুন সমীকরণ! দুর্নীতির অভিযোগ, দলবদল নাকি রাজনৈতিক প্রভাব—কোন পথে এগোবে বাংলার নতুন রাজনীতি?

কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ মহামিছিল, উপস্থিত নীতিন নবীন, শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্য

02 Nov 2026
08:58 PM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কলকাতার রাজপথে গণতন্ত্র রক্ষা এবং অরাজকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বার্তা নিয়ে আয়োজিত হল ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ মহামিছিল। কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি শ্রী নীতিন নবীন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব ও কর্মী-সমর্থক। মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয় ব্যাপক চর্চা।

মিছিলের মূল বার্তা ছিল গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা, দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর প্রতি আস্থা এবং রাজনৈতিক অরাজকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের পথে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে কর্মসূচি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। নেতৃত্বের বক্তব্যে উঠে আসে দেশের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখার প্রসঙ্গ।

মিছিল থেকে প্রতিবেশী দেশগুলির রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রসঙ্গও তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশ কিংবা নেপাল—প্রতিবেশী কোনও দেশের অস্থিরতার ছায়া যেন ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে না পারে, সেই বার্তাই দেওয়া হয়। বক্তাদের বক্তব্যে বলা হয়, ১৪০ কোটি দেশবাসীর আস্থা, ঐক্য এবং সংবিধানের শক্তির উপর ভর করেই ভারত এগিয়ে চলেছে। দেশের ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনও রকম আপস করা হবে না বলেও জোর দেওয়া হয়।

মিছিলের বক্তব্যে আরও বলা হয়, ভারতের গণতন্ত্রকে দুর্বল করার যে কোনও প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে। এই দেশ ১৪০ কোটি মানুষের বিশ্বাস, সংহতি এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাই দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও ঐক্যকে আঘাত করার কোনও ষড়যন্ত্র সফল হতে পারে না বলে দাবি করা হয়।

একই সঙ্গে কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সরব হন মিছিলের নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কোনও রাজনৈতিক চক্রান্তই সফল হবে না। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে কংগ্রেসের পাল্টা বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া এই বিবরণে উল্লেখ করা হয়নি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত এই মহামিছিলের মাধ্যমে বিজেপি একদিকে যেমন নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরতে চেয়েছে, অন্যদিকে তেমনই গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য এবং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নকে সামনে রেখে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

সব মিলিয়ে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ মহামিছিলকে ঘিরে কলকাতার রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। নীতিন নবীন, শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে এই কর্মসূচি রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। মিছিলের মধ্য দিয়ে নেতৃত্বের স্পষ্ট বার্তা—গণতন্ত্রের মর্যাদা, দেশের ঐক্য এবং সংবিধানের শক্তি অটুট রাখার প্রশ্নে কোনও আপস নয়।