Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
হীরাপুরের শশাঙ্ক কালী মন্দিরে শুরু শ্রী চণ্ডী মহাযজ্ঞ, কলস যাত্রায় সামিল হাজারো ভক্ত   •   কলকাতা বিমানবন্দরে বিজেপির ট্রেড ইউনিয়ন সেলের বিশেষ অনুষ্ঠান, উপস্থিত শমীক ভট্টাচার্য ও সুনীল বনসল   •   স্বাস্থ্যসাথী থেকে ১০০ দিনের কাজ—দুর্নীতির অভিযোগে সরব অধীর রঞ্জন চৌধুরী, ‘২৫ হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়?’   •   বড়থল চাষী পট্টির শ্মশান কালী মন্দিরে শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা মহোৎসবে যোগ দিলেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল   •   গড়িয়ার বিধানপল্লিতে আবর্জনা ফেলার অভিযোগ, দ্রুত পদক্ষেপ পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের   •   নৃশংসভাবে নিহত শিশুর পরিবারের পাশে শুভেন্দু অধিকারী, ‘লোকধর্ম পালনের’ বার্তা

বড়থল চাষী পট্টির শ্মশান কালী মন্দিরে শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা মহোৎসবে যোগ দিলেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল

31 Oct 2026
07:16 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  ধর্মীয় আবহ, ভক্তি ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত হল বড়থল চাষী পট্টির শ্রী শ্রী সর্বজনীন মা শ্মশান কালী মন্দিরের পবিত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান। মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্রী শ্রী ১০৮ বিরাট শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ ও মা কালী প্রাণপ্রতিষ্ঠা মহোৎসবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এই পবিত্র অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মা কালীর চরণে প্রার্থনা জানান তিনি। সকলের মঙ্গল, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দেবীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন মন্ত্রী।

পবিত্র মহাযজ্ঞে ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতার আবহ

বড়থল চাষী পট্টির শ্রী শ্রী সর্বজনীন মা শ্মশান কালী মন্দিরে আয়োজিত এই মহোৎসরকে কেন্দ্র করে এলাকায় তৈরি হয় বিশেষ ধর্মীয় আবহ। শ্রী শ্রী ১০৮ বিরাট শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ এবং মা কালীর প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল উৎসাহ ও আন্তরিকতা। মন্দির প্রাঙ্গণে পুজো-অর্চনা, যজ্ঞ এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় পবিত্র আয়োজন।

শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ হিন্দু ধর্মীয় পরম্পরায় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ একটি আচার। দেবী দুর্গার মহিমা ও শক্তির আরাধনায় এই যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এই ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, কল্যাণ ও মঙ্গল কামনা করা যায়। সেই বিশ্বাস ও ভক্তিকে সামনে রেখেই আয়োজন করা হয়েছিল মহাযজ্ঞের।

মা কালীর চরণে প্রার্থনা অগ্নিমিত্রা পালের

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল মা কালীর পুজো ও আরাধনায় অংশ নেন। দেবীর চরণে প্রার্থনা জানিয়ে সকলের সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেন তিনি। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে নিজের ভালো লাগার কথাও প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

তাঁর বার্তায় উঠে আসে ভক্তি ও শুভকামনার কথা। মা কালীর আশীর্বাদে যেন সকলের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে—এই প্রার্থনাই জানান তিনি। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে এই শুভ মুহূর্ত ভাগ করে নেন অগ্নিমিত্রা পাল।

প্রাণপ্রতিষ্ঠা মহোৎসবের বিশেষ তাৎপর্য

মা কালী প্রাণপ্রতিষ্ঠা মহোৎসব মন্দিরের ধর্মীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। প্রচলিত ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, মন্ত্রোচ্চারণ ও নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা সম্পন্ন করা হয়। ভক্তদের কাছে এই অনুষ্ঠান অত্যন্ত পবিত্র ও আবেগের বিষয়। মন্দিরে দেবীর আরাধনা ও নিয়মিত পুজোর ধারাকে আরও সুসংহত করার ক্ষেত্রেও এমন আয়োজন বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

বড়থল চাষী পট্টির মন্দিরে এই মহোৎসবকে কেন্দ্র করে ভক্তদের মধ্যে ধর্মীয় আবেগ ও উৎসাহের সঞ্চার হয়েছে। শতচণ্ডী মহাযজ্ঞ এবং প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান একই আয়োজনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় পবিত্রতার পাশাপাশি অনুষ্ঠানটির তাৎপর্যও বিশেষ মাত্রা পেয়েছে।

ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা

ধর্মীয় অনুষ্ঠান কেবল পুজো বা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের আয়োজন স্থানীয় মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে। মন্দিরকে কেন্দ্র করে বহু মানুষ একত্রিত হন, নিজেদের ভাবনা ও বিশ্বাস ভাগ করে নেন এবং এলাকার সামগ্রিক মঙ্গল কামনা করেন।

বড়থল চাষী পট্টির এই মহোৎসবও স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হয়ে উঠেছে। মন্দিরের আয়োজনে ভক্তদের অংশগ্রহণ এবং জনপ্রতিনিধির উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

সকলের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা

অনুষ্ঠান শেষে অগ্নিমিত্রা পালের মূল বার্তা ছিল সকলের মঙ্গল কামনা। মা কালীর আশীর্বাদে মানুষের জীবনে শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি আসুক—এই প্রার্থনা জানান তিনি। বড়থল চাষী পট্টির শ্রী শ্রী সর্বজনীন মা শ্মশান কালী মন্দিরে আয়োজিত এই পবিত্র মহাযজ্ঞ ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা মহোৎসবে তাঁর উপস্থিতি ছিল ধর্মীয় অনুষ্ঠানের একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত।

ভক্তি, প্রার্থনা ও শুভকামনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন এই আয়োজন স্থানীয় মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেই আশা করা যায়।