Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
ভুবনেশ্বর কুমারের পাশে মর্নে মরকেল, ভারতের তারকা পেসারের প্রত্যাবর্তনে আশাবাদী বোলিং কোচ   •   অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধাক্কা! দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে WTC27 নির্ণায়ক টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন স্টিভ স্মিথ   •   নতুন প্রোডাকশন হাউস ‘আলফানিয়ন স্টুডিওজ’-এর জমকালো উদ্বোধন, উপস্থিত মধুরিমা তুলি   •   স্পেশাল মোডে লরিয়াল প্যারিসের ‘চাই লাত্তে ডেট উইথ প্রীতি’, সৌন্দর্য ও স্টাইলের মেলবন্ধনে বিশেষ আয়োজন   •   হার্ট অ্যাটাকের ৯টি সতর্ক সংকেত, সময়মতো লক্ষণ চিনে দ্রুত চিকিৎসা নিলেই বাঁচতে পারে প্রাণ   •   খামারে উৎপাদিত তাজা তেলাপিয়া ও শোল মাছ, পুষ্টিগুণ ও স্বাদের সমন্বয়ে বাড়ছে চাহিদা

দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি, কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

27 Oct 2026
08:42 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু এলাকাতেও হতে পারে বৃষ্টিপাত। উপকূলবর্তী অঞ্চলে কোথাও হালকা থেকে মাঝারি, আবার স্থানবিশেষে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু অঞ্চলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকায় দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি কোনও কোনও স্থানে ভারী বৃষ্টিও হতে পারে বলে পূর্বাভাসের ইঙ্গিত।

উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি

দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার দিকে নজর রাখছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। এই জেলাগুলির বিভিন্ন অংশে দফায় দফায় বৃষ্টিপাত হতে পারে।

কোথাও হালকা বৃষ্টি, কোথাও মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি স্থানবিশেষে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। তবে সব এলাকায় একই পরিমাণ বৃষ্টি হবে, এমনটা নয়। জেলার এক অংশে বৃষ্টি হলেও অন্য অংশে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকতে পারে। স্থানীয় আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর বৃষ্টির তীব্রতা নির্ভর করবে।

কলকাতা, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির ইঙ্গিত

শুধু উপকূলবর্তী জেলাগুলিতেই নয়, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু অঞ্চলেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে এই জেলাগুলির বাসিন্দাদেরও আবহাওয়ার পরিবর্তনের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টি হলে রাস্তাঘাটে যান চলাচলের গতি কিছুটা কমতে পারে। বিশেষ করে অফিসযাত্রী, পথচারী এবং যাঁদের বাইরে কাজে বেরোতে হয়, তাঁদের সতর্ক থাকা প্রয়োজন। তবে বৃষ্টির কারণে কোথায় কতটা প্রভাব পড়বে, তা স্থানীয় পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।

দফায় দফায় বৃষ্টি, কোথাও হতে পারে ভারী বর্ষণ

উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে এবং ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। ফলে স্থানীয়ভাবে জল জমার মতো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এই পরিস্থিতিতে নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের সতর্ক থাকা জরুরি। বৃষ্টির সময় জল জমে এমন রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। পাশাপাশি কৃষিকাজ, মাছ ধরা এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলে বাইরে কাজ করার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও স্থানীয় আবহাওয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ রাখা প্রয়োজন।

সতর্ক থাকার পরামর্শ

বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ মানুষকে আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেটের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এমন এলাকায় স্থানীয় প্রশাসন ও আবহাওয়া দপ্তরের নির্দেশিকা মেনে চলা জরুরি।

তবে বৃষ্টির নির্দিষ্ট সময়, পরিমাণ এবং কোন এলাকায় কতটা বৃষ্টি হবে, সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত সরকারি পূর্বাভাস প্রয়োজন। তাই বাইরে বেরোনোর আগে সর্বশেষ আবহাওয়ার খবর জেনে নেওয়াই ভালো।

সব মিলিয়ে, দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু এলাকাতেও আগামী কয়েক ঘণ্টায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও হালকা থেকে মাঝারি, আবার কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় আবহাওয়ার দিকে নজর রাখাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।