Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা   •   হুগলির পুরশুড়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্পের শুভ সূচনা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’-এর পরিচালক

পুরুলিয়া থেকে STF-এর জালে দেবরাজ, মেডিক্যালের পর আদালতে পেশ — ECIR দায়ের করে তদন্ত শুরু ইডির

02 Jul 2026
06:39 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করল রাজ্য পুলিশের STF। সূত্রের খবর, পুরুলিয়া থেকে তাঁকে আটক করা হয়। ধৃতকে হাসপাতালে মেডিক্যাল পরীক্ষার পর আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আরও বেকায়দায় পড়েছেন দেবরাজ চক্রবর্তী। এবার তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ইতিমধ্যেই দেবরাজের নামে ECIR দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

অভিযোগ, নির্মাণকাজ ও প্রোমোটিং সংক্রান্ত বিষয়ে প্রভাব খাটিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা তোলা, ভয় দেখানো এবং সংগঠিত অপরাধচক্র পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। এই মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮(৪) প্রতারণা, ৩১৬(২) বিশ্বাসভঙ্গ, ৬১(২) অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ১১১ ধারায় সংগঠিত অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠছিল। সম্প্রতি আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর থেকেই তদন্তে গতি আসে। এরপর যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধীদের দাবি, এই গ্রেফতারির মাধ্যমে একাধিক আর্থিক দুর্নীতি ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্রের তথ্য সামনে আসতে পারে।