Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা   •   হুগলির পুরশুড়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্পের শুভ সূচনা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’-এর পরিচালক

ত্রিপলের ছাউনিতে চলছে আইসিডিএস কেন্দ্র, উনানের ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত পশ্চিম দ্বারিকাপুরের শিশুদের পড়াশোনা

30 Jun 2026
09:47 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের পশ্চিম দ্বারিকাপুর আদিবাসী কলোনির ১১৭ নম্বর আইসিডিএস কেন্দ্রের বেহাল অবস্থা ঘিরে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন। খাতা-কলমে প্রায় ৯০ জন শিশু ও একাধিক প্রসূতি এবং গর্ভবতী মায়ের নাম নথিভুক্ত থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ দিন কেন্দ্রে উপস্থিত থাকে মাত্র দু-একজন শিশু। তবে মিড-ডে মিলের খাবার নিতে মায়েদের উপস্থিতিই বেশি চোখে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপযুক্ত আইসিডিএস ভবনের অভাবে অভিভাবকেরা ছোট শিশুদের কেন্দ্রে পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করছেন। বর্তমানে মাত্র ১৬ ফুট × ১২ ফুটের একটি দরমার ঘরে চলছে কেন্দ্রের সমস্ত কার্যক্রম। মাথার উপর রয়েছে ত্রিপলের ছাউনি। একই ঘরের মধ্যে জ্বলছে রান্নার উনুন, একপাশে স্তূপ করে রাখা রয়েছে জ্বালানি কাঠ।

রান্না শুরু হলেই শিশুদের বসার মতো পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। উনানের ধোঁয়ায় ভরে যায় গোটা ঘর। ফলে ছোট ছোট শিশুদের সেখানে বসিয়ে পড়াশোনা করানো কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রী— সকলেরই চোখে জল চলে আসে ধোঁয়ার কারণে।

কেন্দ্রের সহায়িকার দাবি, স্থায়ী আইসিডিএস ভবন না থাকায় বাধ্য হয়েই এই প্রতিকূল পরিবেশে পরিষেবা চালাতে হচ্ছে। সংকীর্ণ পরিসর, ধোঁয়ায় ভরা ঘর এবং অনুপযুক্ত পরিবেশের কারণে নিয়মিত পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এলাকার বাসিন্দাদের বক্তব্য, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা ও পুষ্টি— দুইয়েরই সঠিক ব্যবস্থা হওয়া উচিত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে পড়াশোনার চেয়ে খাবার পাওয়াই যেন এই কেন্দ্রের প্রধান উদ্দেশ্যে পরিণত হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, পশ্চিম দ্বারিকাপুর আদিবাসী কলোনির ১১৭ নম্বর আইসিডিএস কেন্দ্রের জন্য কবে তৈরি হবে একটি স্থায়ী ও উপযুক্ত ভবন? সেই উত্তরই অপেক্ষায় এলাকার সাধারণ মানুষ।