ভোটের আগেই গেম চেঞ্জার!
- ফ্যাক্ট ফাইল | Mar 28, 2026
নিজস্ব প্রতিনিধি,জেলার বার্তা ডেস্ক :-আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলল। সোমবার বিকেলে বিরোধী শিবিরে বড় ভাঙন ধরে আইএসএফ, সিপিএম, বিজেপি ও কংগ্রেস ছেড়ে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে উঠেছে।
জানা গিয়েছে, মগরাহাট পশ্চিমের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বিরোধী দলের একাধিক জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য সহ প্রায় ২০ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এই দিন শাসক দলে নাম লেখান। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শামীম আহমেদের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের দলে স্বাগত জানানো হয়। বিশাল জনসমাগম ও কর্মীদের উপস্থিতিতে যোগদান কর্মসূচি কার্যত শক্তি প্রদর্শনের রূপ নেয়।

নিজস্ব চিত্র
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট ১ নম্বর ব্লকের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ইমরান হোসেন মোল্লা, পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকরী সভাপতি সব্যসাচী গায়েন, মানবেন্দ্র মন্ডল সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের উপস্থিতি যোগদান পর্বকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী শামীম আহমেদ জানান, “আইএসএফ, সিপিএম, বিজেপি ও কংগ্রেস থেকে প্রায় ২০ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক আজ তৃণমূলে যোগদান করেছেন। মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, তা দেখেই বিরোধী শিবিরের কর্মীরাও দলে দলে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, এখনও পর্যন্ত বিরোধীরা সেভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারেনি, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি এসআইআর ইস্যু নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের বড়সড় যোগদান নিঃসন্দেহে মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের নির্বাচনী লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী শিবিরে ভাঙন এবং তৃণমূলের শক্তি বৃদ্ধি—দুই মিলিয়ে এই কেন্দ্রটি এখন রাজ্যের অন্যতম চর্চিত রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত হয়েছে।
