Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
সুন্দরবনে জৈব চাষের সম্ভাবনা ও সমস্যা নিয়ে কর্মশালা   •   রায়গঞ্জে সাইকেলের দোকানে বিধ্বংসী আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৪টি ইঞ্জিন   •   নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে পাওয়ার হাউস নির্মাণের অভিযোগ, সরব রসকুণ্ডুর বাসিন্দারা   •   পশ্চিমবঙ্গে দেশবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত নয়, কড়া বার্তা দিলীপ ঘোষের   •   ডাকাতির ছক বানচাল, অস্ত্র-সহ গ্রেফতার ৪   •   শিলিগুড়িতে SSB-র উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস, জওয়ানদের সঙ্গে মতবিনিময় অমিত শাহের

নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে পাওয়ার হাউস নির্মাণের অভিযোগ, সরব রসকুণ্ডুর বাসিন্দারা

21 Aug 2026
10:53 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা ৩ নম্বর ব্লকের রসকুণ্ডু গ্রামের রামপুর মৌজায় তৈরি হচ্ছে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস। নির্মাণকাজ শুরু হতেই প্রকল্পের কাজে অনিয়ম এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রাখা হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, সরকারি নির্দেশিকা ও নির্ধারিত সিডিউল মেনে কাজ না করে তড়িঘড়ি ঢালাইয়ের কাজ চালানো হচ্ছে। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রীর গুণমান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, ৩৩ কেভির মতো উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ রাখতে নির্মাণের প্রতিটি পর্যায়ে নির্ধারিত মান বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই নির্মাণস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান রসকুণ্ডুর বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে নিম্নমানের কাজ বন্ধ করে সরকারি আধিকারিকদের উপস্থিতিতে নির্মাণসামগ্রীর গুণমান পরীক্ষা করতে হবে।

গ্রামবাসীরা আরও জানান, নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী সঠিক মানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে কাজ না হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। পাশাপাশি পুরো নির্মাণকাজ প্রশাসনের তরফে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

যদিও স্থানীয় বাসিন্দাদের তোলা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সংস্থা বা বিদ্যুৎ দফতরের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে নির্মাণকাজের গুণমান নিয়ে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

news home ads