Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে   •   জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বাম নেতৃত্বদের আটক, মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’র অভিযোগ

বন্দে মাতরম্’ বিতর্কে কংগ্রেসকে নিশানা অমিত শাহের, তোষণের রাজনীতির অভিযোগ

21 Aug 2026
05:05 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: ‘বন্দে মাতরম্’ গানের পূর্ণাঙ্গ পরিবেশনের পরিবর্তে কেবল দুটি স্তবক গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে তিনি ‘দেশবিরোধী’ বলে আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, এর পিছনে ভোটব্যাঙ্ক ও তোষণের রাজনীতি কাজ করছে।

অমিত শাহের দাবি, ১৯৩৭ সালে কংগ্রেসের সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় ‘বন্দে মাতরম্’-এর দুটি অংশকে আলাদা করে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দেশের বিভাজনমূলক রাজনীতিকে আরও শক্তিশালী করেছিল এবং পরবর্তীকালে দেশভাগের পথ প্রশস্ত হয়। এই ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা নিয়ে অবশ্য রাজনৈতিক মহলে মতপার্থক্য রয়েছে।

চলতি বছর ‘বন্দে মাতরম্’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রথমবার লালকেল্লার প্রাঙ্গণ থেকে ‘বন্দে মাতরম্’ পরিবেশনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।

অমিত শাহ অভিযোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম্’-এর পূর্ণাঙ্গ পরিবেশনের সরকারি উদ্যোগের বিরোধিতা করে কংগ্রেস ফের তোষণের রাজনীতির পথ বেছে নিয়েছে। তাঁর দাবি, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় অসংখ্য দেশপ্রেমিক ও বিপ্লবীর কাছে এই গান ছিল অনুপ্রেরণার প্রতীক। তাই গানটির পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ জাতীয় ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করবে।

কংগ্রেস অবশ্য এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। কংগ্রেসের বক্তব্য, ১৯৩৭ সালের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই দলীয় অনুষ্ঠানে দুটি স্তবক গাওয়ার প্রথা চলে আসছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিজেপি রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করছে।

‘বন্দে মাতরম্’কে ঘিরে অমিত শাহের মন্তব্যের পর বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। জাতীয় গান, ইতিহাস এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তরাধিকার নিয়ে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও রাজনৈতিক মাত্রা পেতে পারে।