Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা   •   হুগলির পুরশুড়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্পের শুভ সূচনা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’-এর পরিচালক

বারাবনীতে তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো ঘিরে চাঞ্চল্য, ডুগডুগি বাজিয়ে বিক্ষোভ

27 Jun 2026
06:59 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - পশ্চিম বর্ধমান জেলার বারাবনীতে তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে ঘোরানোকে কেন্দ্র করে শনিবার ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

অভিযোগ, আসানসোলের বারাবনী বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা বারাবনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত সিংহ-কে শনিবার বিকেলে কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকা ঘোরায় বারাবনী থানার পুলিশ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত আকবর আলম।

জানা গিয়েছে, গৌরান্ডী হাটতলা মোড় থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যে দু’জনকে পানুড়িয়া এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ অভিযুক্তদের দেখে “চোর চোর” স্লোগান দিতে শুরু করেন। পাশাপাশি ডুগডুগি বাজিয়ে বিক্ষোভও দেখানো হয় বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।

ঘটনার সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। বিকেল প্রায় ৫টা নাগাদ এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পানুড়িয়া এলাকায় ব্যাপক ভিড় জমে যায়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা তীব্র হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, আইন অনুযায়ী তদন্ত চলুক, তবে প্রকাশ্যে এভাবে দড়ি বেঁধে ঘোরানো মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। যদিও পুলিশ সূত্রে দাবি, তদন্তের স্বার্থেই অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।