Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
ফলতা ও রামনগর তর্পণ ঘাটে পুণ্যার্থীদের পাশে বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা, রাত জেগে সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা   •   মহালয়ার ভোরে জেগে ওঠে বাঙালির হৃদয়: চণ্ডীপাঠ, শিউলির সুবাস আর মা দুর্গার আগমনে নতুন আশার আলো   •   ডারবান টেস্টে প্রোটিয়া পেসারদের দাপট! প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা   •   নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের সিরিজে খেলতে পারবেন না দলের পেসার   •   নদিয়ার রানাঘাট-ধানতলা থেকে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে নানা ধরনের ফুল! ফুল চাষে স্বনির্ভরতার নতুন দিশা কৃষকদের   •   ধানের বদলে শোলা চাষে বাড়তি লাভ! মন্দিরবাজারের কৃষকদের আত্মনির্ভরতার নতুন পথ, পুজোর মরশুমে বাড়ছে চাহিদা

নেশামুক্ত বীরভূম গড়ার বার্তা, সচেতনতায় ম্যারাথনের আয়োজন জেলা প্রশাসনের

14 Aug 2026
04:44 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক : "নেশামুক্ত ভারত, নেশামুক্ত বীরভূম"—এই বার্তাকে সামনে রেখে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ ম্যারাথনের আয়োজন করল বীরভূম জেলা প্রশাসন। সমাজ থেকে মাদকাসক্তি দূর করতে এবং যুবসমাজকে সচেতন করার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

রবিবার সকালে সিউড়ির হাটজনবাজার বাস ডিপো থেকে শুরু হয় ম্যারাথন। নির্ধারিত পথ ধরে অংশগ্রহণকারীরা সার্কিট হাউস মোড় পর্যন্ত দৌড়ে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেন। ম্যারাথনে বিভিন্ন বয়সের মানুষ, শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা অংশ নেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে নেশার ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রাখাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। অংশগ্রহণকারীরা "নেশাকে না বলুন, সুস্থ জীবনকে হ্যাঁ বলুন" সহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্লোগান তুলে ধরেন।

জেলা প্রশাসনের মতে, শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলাও নেশার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। তাই ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নেশামুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বীরভূম জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, এ ধরনের কর্মসূচি বিশেষ করে যুবসমাজের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।