Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
ফলতা ও রামনগর তর্পণ ঘাটে পুণ্যার্থীদের পাশে বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা, রাত জেগে সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা   •   মহালয়ার ভোরে জেগে ওঠে বাঙালির হৃদয়: চণ্ডীপাঠ, শিউলির সুবাস আর মা দুর্গার আগমনে নতুন আশার আলো   •   ডারবান টেস্টে প্রোটিয়া পেসারদের দাপট! প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা   •   নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের সিরিজে খেলতে পারবেন না দলের পেসার   •   নদিয়ার রানাঘাট-ধানতলা থেকে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে নানা ধরনের ফুল! ফুল চাষে স্বনির্ভরতার নতুন দিশা কৃষকদের   •   ধানের বদলে শোলা চাষে বাড়তি লাভ! মন্দিরবাজারের কৃষকদের আত্মনির্ভরতার নতুন পথ, পুজোর মরশুমে বাড়ছে চাহিদা

নেতাজির মূর্তি ভাঙা: ইতিহাসকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা, প্রতিবাদের ঝড়

14 Aug 2026
04:08 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক : নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলের প্রতিনিধিরা এই ঘটনাকে শুধু একটি ভাস্কর্যের ক্ষতি নয়, বরং জাতীয় ইতিহাস ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের ওপর আঘাত বলে মন্তব্য করেছেন।

প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, “যারা মূর্তি ভেঙে মানুষের স্মৃতি ও মন থেকে নেতাজিকে মুছে দেওয়ার অপচেষ্টা করছেন, তারা কখনই সফল হবেন না। নেতাজি শুধু একটি মূর্তি নন—তিনি বাঙালির আবেগ, ভারতের গৌরব এবং কোটি মানুষের হৃদয়ে চিরজাগ্রত এক অমর আদর্শ।”

বক্তাদের দাবি, নেতাজির আদর্শ, দেশপ্রেম এবং আত্মত্যাগ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। তাই কোনও ভাস্কর্য ভাঙা বা প্রতীকী আক্রমণের মাধ্যমে তাঁর অবদানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। বরং এ ধরনের ঘটনা মানুষের মধ্যে আরও বেশি করে নেতাজির আদর্শকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে কি না এবং কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে সরকারি নিশ্চিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় নেতাদের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনা ও ভাস্কর্য সংরক্ষণ করা সমাজ ও প্রশাসনের যৌথ দায়িত্ব। মতাদর্শগত ভিন্নতা থাকলেও ইতিহাস ও জাতীয় ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান বজায় রাখা গণতান্ত্রিক সমাজের অন্যতম ভিত্তি।