Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা   •   হুগলির পুরশুড়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্পের শুভ সূচনা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’-এর পরিচালক

রাজ্যে ভুয়ো সার্টিফিকেটের রমরমা! সরকার বদলের পর জালিয়াতির পর্দাফাঁস, জঙ্গিপুরে একই পরিবারের ৮ জনের জাতিগত শংসাপত্র বাতিল

08 Aug 2026
08:04 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,  জেলার বার্তা ডেস্ক : মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর মহকুমায় জাতিগত শংসাপত্র জালিয়াতির একটি বড় ঘটনা সামনে এসেছে। তথ্য জালিয়াতির অভিযোগে ফরাক্কার একই পরিবারের আট সদস্যের তফসিলি উপজাতি (ST) শংসাপত্র বাতিল করেছে জঙ্গিপুর মহকুমা প্রশাসন। তদন্তে উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্ট পরিবার প্রকৃতপক্ষে ওবিসি সম্প্রদায়ের হলেও ভুয়ো তথ্যের ভিত্তিতে নিজেদের তফসিলি উপজাতি হিসেবে দেখিয়ে শংসাপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। 

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরাক্কার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আইনুল হকের তিন ছেলে ও পাঁচ মেয়ে ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ST শংসাপত্র পান। অভিযোগ, তাঁরা ‘শের্সা বেদিয়া’ (OBC) সম্প্রদায়ের হলেও নিজেদের ‘বেদিয়া’ (ST) বলে দাবি করে এই শংসাপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের নির্দেশে তদন্ত শুরু হয় এবং শুনানির পর পর্যাপ্ত বৈধ নথি দেখাতে না পারায় আট জনের শংসাপত্র বাতিল করা হয়।

বাতিল হওয়া শংসাপত্রধারীদের মধ্যে রয়েছেন একাধিক সরকারি কলেজের অধ্যাপক, একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষক এবং দু'জন এমবিবিএস চিকিৎসক। প্রশাসনের দাবি, একজনের ভুয়ো শংসাপত্রকে ভিত্তি করে পরবর্তীতে পরিবারের অন্য সদস্যরাও একই সুবিধা নিয়েছিলেন।

জঙ্গিপুরের মহকুমাশাসক সুধীরকুমার রেড্ডি জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সমস্ত নথি খতিয়ে দেখা হয়। শুনানির সময় অভিযুক্তরা তাঁদের দাবির পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেননি। সেই কারণেই শংসাপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। রাজ্যের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ অভিযোগ করেছেন, অতীতে ভুয়ো শংসাপত্র প্রদানের মাধ্যমে অনিয়ম হয়েছে এবং এই ধরনের জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যে জাতিগত শংসাপত্র যাচাই প্রক্রিয়া এবং সংরক্ষণের সুবিধা অপব্যবহার রোধে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।