Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা   •   হুগলির পুরশুড়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্পের শুভ সূচনা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’-এর পরিচালক

ভারী বৃষ্টিতে চন্দ্রকোনায় জলমগ্ন বাঁশের সাঁকো, ঝুঁকি নিয়েই নদী পারাপার; স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস বিজেপি বিধায়কের

07 Aug 2026
05:49 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ,জেলার বার্তা ডেস্ক : টানা ভারী বৃষ্টির জেরে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা এলাকায় নদীর জলস্তর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে নদীর উপর নির্মিত একটি বাঁশের সাঁকো সম্পূর্ণভাবে জলের নিচে চলে যায়। সাঁকোর উপর দিয়ে জল বইতে থাকায় চরম ঝুঁকি নিয়েই নিত্যপ্রয়োজনের কাজে নদী পারাপার করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত তার বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বর্ষাকাল এলেই বাঁশের সাঁকোর উপর নির্ভর করতে হয়, আর জল বেড়ে গেলে বিপদের আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। স্কুলপড়ুয়া, কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ প্রতিদিন জীবন বাজি রেখে এই পথেই যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় যান স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক। তিনি পরিস্থিতি পরিদর্শন করে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে বর্ষাকালে সাধারণ মানুষকে আর এমন ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে না হয়।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীর জলস্তর ও পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। জলস্তর আরও বৃদ্ধি পেলে বিপজ্জনক সাঁকো ব্যবহার না করার জন্য স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনে বিকল্প নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করার বিষয়েও প্রশাসন উদ্যোগ নেবে বলে জানা গেছে।