Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে জলখাবারে রাখতে পারেন বেরি, চিয়া সিড ও বাদাম   •   ভিটামিন ডি ও ঘুম: সঠিক মাত্রা বজায় রাখা কেন গুরুত্বপূর্ণ   •   টেস্টে সাফল্যই এখন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের লক্ষ্য   •   ধানের চারা রোপণে দূরত্ব না মানায় কমতে পারে ফলন, সতর্ক কৃষি বিশেষজ্ঞরা   •   আন্তর্জাতিক মহিলা কৃষক বর্ষে ময়ূরেশ্বরে মহিলা কৃষকদের সম্মান, চারা ও বীজ বিতরণ   •   হনুমান অংশ’ সিনেমার প্রশংসায় দিলীপ ঘোষ, প্রায় ৩০ জনকে সঙ্গে নিয়ে শিলিগুড়িতে দেখলেন ছবি

মোদীর ডিলিট করা ভিডিও ফেরাল মেটা, তবু সন্তুষ্ট নয় ভারত; ‘খেলো’ যুক্তি মানতে নারাজ কেন্দ্র

04 Aug 2026
04:20 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া ভিডিওটি পুনরুদ্ধার করেছে মেটা। সংস্থার দাবি, এটি একটি ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটি’ বা ‘ভুলবশত’ ঘটেছিল। তবে সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় ভারত সরকার। কেন্দ্রের স্পষ্ট বক্তব্য, শুধু ‘ভুল হয়েছে’ বলে দায় এড়ানো যাবে না; এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে মেটাকে আরও জবাবদিহি করতে হবে।

সূত্রের খবর, ভিডিওটি পুনরুদ্ধার হলেও কেন্দ্র মনে করছে মেটার ব্যাখ্যা যথেষ্ট নয়। সরকারের দাবি, দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর। তাই বিষয়টি শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত ত্রুটি বলে ব্যাখ্যা করলে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটিও কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান নিশিকান্ত দুবে মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গের ব্যক্তিগত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। কমিটির পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে, সন্তোষজনক জবাব না মিললে ভারতে মেটার ‘সেফ হারবার’ (Safe Harbour) সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হতে পারে।

এর আগে মেটা জানিয়েছিল, ভিডিওটি ‘ভুলবশত’ সরিয়ে ফেলা হয়েছিল এবং বিষয়টি নজরে আসার পর দ্রুত পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পোস্ট পর্যালোচনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নজরদারি ও উচ্চস্তরের রিভিউ ব্যবস্থার কথাও জানায় সংস্থা।

তবে কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট—ভিডিও ফিরিয়ে দেওয়া হলেও বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। সরকারের মতে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলিকে আরও স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল এবং জবাবদিহিমূলক আচরণ করতে হবে, বিশেষ করে সাংবিধানিক পদাধিকারীদের সরকারি যোগাযোগের ক্ষেত্রে।