Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা   •   হুগলির পুরশুড়ায় ‘মুখ্যমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি’ প্রকল্পের শুভ সূচনা, অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   ‘স্টার লাইট অনন্য সম্মান ২০২৬’-এ সেরা পরিচালকের পুরস্কার পেলেন ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’-এর পরিচালক

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সংখ্যা বাড়াতে সংশোধনী বিল, রাজ্যসভায় পেশ কেন্দ্রের উদ্যোগ

29 Jul 2026
07:01 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলার ক্রমবর্ধমান চাপ কমানো এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্ট (বিচারপতির সংখ্যা) সংশোধনী বিল, ২০২৬ সংসদে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিলে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতির অনুমোদিত সংখ্যা বর্তমান ৩৩ (প্রধান বিচারপতি বাদে) থেকে ৩৭-এ উন্নীত করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। 

আইন মন্ত্রকের বক্তব্য, বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে মামলার দ্রুত শুনানি সম্ভব হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিপুল সংখ্যক বিচারাধীন মামলার নিষ্পত্তিতে গতি আসবে। সেই লক্ষ্যেই বিদ্যমান Supreme Court (Number of Judges) Act, 1956-এ সংশোধনের প্রস্তাব আনা হয়েছে। 

বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিপুল সংখ্যক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বেঞ্চ গঠন আরও সহজ হবে, একসঙ্গে বেশি সংখ্যক মামলার শুনানি করা যাবে এবং বিচারব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে বলে কেন্দ্রের দাবি। এই কারণেই বিচারপতির সংখ্যা চারজন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এখন বিলটি সংসদের অনুমোদনের পর আইন হিসেবে কার্যকর হলে সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদিত বিচারপতির সংখ্যা (প্রধান বিচারপতি বাদে) ৩৭ হবে। সরকারের আশা, এই পদক্ষেপ দেশের সর্বোচ্চ আদালতের উপর মামলার চাপ কমাতে এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।