Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
বিজেপির দখলে বাংলার রাজ্যসভার ৩ আসন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তিন প্রার্থী; বিধানসভা সচিবালয় থেকে মিলল শংসাপত্র   •   রাজ্যে ১০০ কোটির বেশি বিনিয়োগে সহজে রেজিস্ট্রি, শিল্প গড়তে সরাসরি সহায়তা রাজ্য সরকারের: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বড় ঘোষণা   •   রাজ্যে ১০০ কোটির বেশি বিনিয়োগে সহজে রেজিস্ট্রি, শিল্প গড়তে সরাসরি সহায়তা রাজ্য সরকারের: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বড় ঘোষণা   •   মন্ত্রীর হাত ধরে বার্নপুর নেতাজি স্পোর্টিং ক্লাবের খুঁটি পুজো, শুরু হল ৫৬তম বর্ষের প্রস্তুতি   •   মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরও থামেনি অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ, ভাঙড়ে ড্রেন বন্ধ করে পাঁচিল নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনা   •   পালাবদলের বাংলায় বিনিয়োগের জোয়ার: বঙ্গে ১৫ হাজার কোটির বিনিয়োগ শ্যাম স্টিলের, মেজিয়ায় কারখানার শিলান্যাস

রাজ্যে ১০০ কোটির বেশি বিনিয়োগে সহজে রেজিস্ট্রি, শিল্প গড়তে সরাসরি সহায়তা রাজ্য সরকারের: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বড় ঘোষণা

17 Jul 2026
06:48 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক- রাজ্যে শিল্পায়নকে আরও গতি দিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রি এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হবে। পাশাপাশি, শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার সরাসরি সহায়তা করবে। জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েতের আলাদা ছাড়পত্রের প্রয়োজন হবে না বলেও তিনি জানান।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, নতুন সরকারের মূল লক্ষ্য হল শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। তাঁর দাবি, অতীতে শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে নানা প্রশাসনিক জটিলতা ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে।

শিল্পে নতুন দিশার দাবি

শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, পরিবর্তনের পর বাংলায় একের পর এক শিল্প প্রকল্পের প্রস্তাব আসছে। তিনি বলেন, বামফ্রন্ট আমলে দীর্ঘদিন ধর্মঘট ও লকআউটের কারণে শিল্পক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আবার তৃণমূল কংগ্রেসের আমলেও শিল্পের প্রসারে বাধা তৈরি হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমান সরকার শিল্পের স্বার্থে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, "অযৌক্তিকভাবে লকআউট করে শ্রমিকদের ক্ষতি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আইনানুগ পদক্ষেপও করা হবে।"

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, অতীতে শিল্পপতিদের কাছ থেকে অনুমোদনের নামে অর্থ দাবি করা হতো। এমনকি ছোট ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স করাতেও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছে। প্রশাসনের কোনও স্তরে ঘুষ বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

'৬০৮৮টি শিল্প বাংলা ছেড়েছে'— দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সময় ৬,০৮৮টি শিল্প পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছিল। তাঁর দাবি, বর্তমানে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে এবং শিল্পপতিদের মধ্যে নতুন করে আস্থা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই একাধিক বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে এবং আগামী দিনে আরও বহু শিল্প প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

কর্মসংস্থানের আশ্বাস

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নতুন শিল্প প্রকল্পগুলির মাধ্যমে রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। দক্ষ ও অদক্ষ— দুই ধরনের কর্মীদের জন্যই নতুন চাকরির সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে তিনি জানান।

আদানি গ্রুপের হাসপাতাল প্রকল্প

মুখ্যমন্ত্রী জানান, আদানি গ্রুপ নিউটাউনে প্রায় ২,০০০ শয্যার একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। তাঁর মতে, এই প্রকল্প শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবাকেই শক্তিশালী করবে না, পাশাপাশি চিকিৎসা ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বহু কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করবে।

রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

এদিনের বক্তব্যে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি হয়েছে। তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার স্বচ্ছ প্রশাসন এবং রাজস্ব আদায়ে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।

বাম আমল নিয়েও সমালোচনা

বামফ্রন্ট সরকারের সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "৩৪ বছর ধরে শুধু হরতাল ও ধর্মঘটের রাজনীতি হয়েছে। তার ফলে শিল্প ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।" তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে বিনিয়োগ ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে।

উল্লেখযোগ্য

উপরের প্রতিবেদনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রকাশ্য বক্তব্য ও দাবির ভিত্তিতে প্রস্তুত। অভিযোগ ও পরিসংখ্যান সম্পর্কিত বিষয়গুলিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিক্রিয়া এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত নয়।

news home ads