Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
এলারস-ড্যানলস সিনড্রোমের প্রতিটি ধরনের রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও লক্ষণ   •   এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে হারিয়ে নারী ক্রিকেটের ফাইনালে ভারত   •   আইএসএফের ‘খাম’ প্রতীক অন্য দলকে বরাদ্দ, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ নওশাদ সিদ্দিকীর   •   টানা ৫ দিন ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা! ২৮–৩০ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘট   •   বেলঘরিয়ায় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে সুকান্ত মজুমদার   •   রানীনগরে পুলিশের অভিযান, ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার যুবক

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরও থামেনি অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ, ভাঙড়ে ড্রেন বন্ধ করে পাঁচিল নির্মাণ ঘিরে উত্তেজনা

17 Jul 2026
12:19 PM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক-  রাজ্যে অবৈধ নির্মাণ রুখতে সরকারের কড়া অবস্থানের ঘোষণার পরও ভাঙড়ের হাতিশালা এলাকায় ড্রেন বন্ধ করে পাঁচিল নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কলকাতা পুলিশের হাতিশালা আউটপোস্টের অদূরে একটি হাই ড্রেন আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে একটি সংস্থার পাঁচিল নির্মাণের কাজ চলছিল। এর ফলে বর্ষাকালে জলনিকাশি ব্যাহত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাতিশালা ছাড়াও কাঁঠালবেড়িয়া, ব্যাওতা-সহ আশপাশের একাধিক গ্রাম এই ড্রেনের ওপর নির্ভরশীল। ড্রেন বন্ধ করে নির্মাণকাজ চলতে থাকলে বর্ষার সময়ে জল জমে প্লাবনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।

এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বিজেপি নেতা-কর্মীরাও বিক্ষোভে সামিল হন। অভিযোগ, বিক্ষোভের মুখে নির্মাণ শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে চলে যান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বন্ধ হয়ে থাকা ড্রেন খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, এই নির্মাণকে ঘিরে আগে থেকেই আইনি জটিলতা রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, বারুইপুর মহকুমা আদালত বিষয়টি নিয়ে একটি নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ (১৪৪ ধারা সংক্রান্ত নির্দেশের দাবি) জারি করেছিল। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

বিজেপি নেতা **অবনি মণ্ডল** অভিযোগ করেন, অবৈধ নির্মাণের পিছনে স্থানীয় আইএসএফ নেতাদের মদত রয়েছে এবং প্রশাসনের উচিত দ্রুত হস্তক্ষেপ করে নির্মাণকাজ বন্ধ করা। অন্যদিকে, আইএসএফ নেতা **আব্দুল মালেক** এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, অবৈধ নির্মাণ বন্ধ করার জন্য তাঁরাই একাধিকবার থানায় বিষয়টি জানিয়েছেন এবং আইএসএফ কোনও বেআইনি নির্মাণকে সমর্থন করে না।

ঘটনাটি নিয়ে এখনও প্রশাসনের চূড়ান্ত অবস্থান বা তদন্তের ফলাফল প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে অবৈধ নির্মাণ, জলনিকাশি ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতির দিকে নজর রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনের।
 

news home ads