Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
গঙ্গাসাগরে ৫০ হাজার টাকা তোলাবাজির অভিযোগ বিজেপি নেতা উত্তম মাইতির বিরুদ্ধে, লিখিত অভিযোগের পর আটক   •   দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, সমাজমাধ্যমের পোস্টে বিতর্ক ও বিজেপির অন্দরে প্রশ্ন   •   গকেবেরহা টেস্টের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে বদলের ইঙ্গিত শুকরি কনরাডের, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে প্রোটিয়ারা   •   বাসন্তীর নফরগঞ্জে বেহাল আইসিডিএস কেন্দ্র সংস্কারের উদ্যোগ, পঞ্চমীর প্রাক্কালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন   •   দুর্গাপুজো শুধু আনন্দের নয়, জীবন বাঁচানোর অঙ্গীকারও: রক্তদানের বার্তা ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার   •   সল্টলেক সেক্টর V-এ মহিষবাথান নারী শক্তির দুর্গাপুজোর শুভ সূচনা, উপস্থিত ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়

সল্টলেক সেক্টর V-এ মহিষবাথান নারী শক্তির দুর্গাপুজোর শুভ সূচনা, উপস্থিত ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়

15 Oct 2026
11:55 AM



নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: দুর্গাপুজোর উৎসবের আবহে সেজে উঠেছে সল্টলেক ও সংলগ্ন এলাকা। পুজোর আনন্দ, ভক্তি এবং বাঙালির ঐতিহ্যকে সামনে রেখে সল্টলেক সেক্টর V-এর এ কিউ ব্লকে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ড. বিধানচন্দ্র রায় স্মৃতি সংঘ ও জাতীয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মহিষবাথান নারী শক্তির উদ্যোগে আয়োজিত দুর্গাপুজোর শুভ সূচনা হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুজোর উদ্বোধন করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি আয়োজক ও উৎসবে অংশগ্রহণকারী সকলকে জানিয়েছেন আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

দুর্গাপুজো বাঙালির কাছে শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং আবেগ, সংস্কৃতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক মিলনের এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। বছরের এই সময়ে মানুষ একত্রিত হন আনন্দ ভাগ করে নিতে। পুজোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে সামাজিক বন্ধন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। মহিষবাথান নারী শক্তির এই আয়োজনও উৎসবের সেই ঐতিহ্যকে সামনে নিয়ে এসেছে।

মহিষবাথান নারী শক্তির উদ্যোগে পুজোর সূচনা

সল্টলেক সেক্টর V-এর এ কিউ ব্লকে অবস্থিত ড. বিধানচন্দ্র রায় স্মৃতি সংঘ ও জাতীয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মহিষবাথান নারী শক্তির উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। পুজোর শুভ সূচনাকে কেন্দ্র করে উৎসবের পরিবেশে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ধর্মীয় আবেগ, সাংস্কৃতিক চেতনা এবং পারস্পরিক সংযোগ আরও দৃঢ় হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

দুর্গাপুজোর মতো বৃহৎ উৎসব আয়োজনের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও সম্মিলিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুজোর প্রতিটি পর্যায়ে বহু মানুষের অংশগ্রহণ উৎসবকে সার্থক করে তোলে। মহিষবাথান নারী শক্তির উদ্যোগে আয়োজিত এই পুজোও সেই সম্মিলিত প্রচেষ্টার একটি উদাহরণ।

পুজোর উদ্বোধনে ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়

পুজোর শুভ সূচনা করতে পেরে নিজের আনন্দের কথা জানিয়েছেন ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বার্তায় দুর্গাপুজোর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কথা উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, দুর্গাপুজো সনাতন ধর্মের এক পবিত্র ও প্রিয় উৎসব, যা সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ভক্তি এবং ঐক্যের প্রতিফলন।

এই শুভ উপলক্ষে আয়োজকবৃন্দ এবং উৎসবে শামিল সকলকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর এই বার্তায় উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি ঐতিহ্য রক্ষা এবং মানুষের মধ্যে ঐক্যের বন্ধন অটুট রাখার ভাবনাও প্রতিফলিত হয়েছে।

দুর্গাপুজো—ঐতিহ্য, ভক্তি ও মিলনের উৎসব

দুর্গাপুজো বাঙালির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। দেবী দুর্গার আরাধনার পাশাপাশি এই উৎসব মানুষের মধ্যে আনন্দ, সম্প্রীতি এবং মিলনের পরিবেশ তৈরি করে। পুজোর দিনগুলিতে মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকসজ্জা এবং নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আবহ ছড়িয়ে পড়ে।

শহর কলকাতার সল্টলেক ও সেক্টর V এলাকাতেও দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। কর্মব্যস্ত শহুরে জীবনের মাঝে পুজো মানুষের কাছে একত্রিত হওয়ার, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ এনে দেয়।

ধর্মীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি দুর্গাপুজো বাংলার শিল্প, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা এবং সামাজিক ঐক্যেরও পরিচায়ক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই উৎসব বাঙালির পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে রয়েছে।

নারী শক্তির উদ্যোগে সামাজিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব

মহিষবাথান নারী শক্তির উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আয়োজন স্থানীয় স্তরে সংগঠিত প্রচেষ্টা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে। যে কোনও উৎসবকে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।

পুজোকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পায় এবং সামাজিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। উৎসবের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মও নিজেদের ঐতিহ্য, ধর্মীয় সংস্কার এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়।

এই ধরনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দকে সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়। একই সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা এবং সম্প্রীতির বার্তাও মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

উৎসবের আবহে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

দুর্গাপুজোর শুভ সূচনায় ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়ের শুভেচ্ছাবার্তা উৎসবের আবহকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। আয়োজকবৃন্দ ও পুজোয় অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি তাঁর শুভেচ্ছা উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার বার্তা বহন করে।

দুর্গাপুজোর এই শুভ সময়ে সকলের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি এবং আনন্দ বজায় থাকুক—এমন প্রত্যাশাই উৎসবের মূল ভাবনাকে আরও সুন্দর করে তোলে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বজায় থাকলে উৎসবের আনন্দ আরও ব্যাপক হয়ে ওঠে।