Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
ঘূর্ণিঝড় নয়, গভীর নিম্নচাপের ভ্রুকুটি! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস   •   ভারতের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ, পেস-আক্রমণে জোর নিউজিল্যান্ডের   •   নন্দীগ্রাম-রেজিনগর উপনির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রচারে NCPI, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আলোচনা   •   পশুখাদ্যের ঘাটতি মেটাতে ‘টিটিকালি’ চাষে জোর, একই সঙ্গে মিলবে দানা ও পশুখাদ্য   •   অভিষেকের বাড়ির সামনে গাড়িতে ধাক্কা, চাকরি হারানো পুলিশকর্মীর পক্ষে হাইকোর্টের নির্দেশ   •   শীতলকুচিতে বিজেপি নেতাকে মারধরের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ

অভিষেকের বাড়ির সামনে গাড়িতে ধাক্কা, চাকরি হারানো পুলিশকর্মীর পক্ষে হাইকোর্টের নির্দেশ

23 Sep 2026
05:18 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: ২০২৩ সালে কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে একটি মোবাইল টয়লেট ভ্যান সরাতে গিয়ে গার্ডরেলে ধাক্কার ঘটনায় চাকরি হারানো কলকাতা পুলিশের এক কর্মীর পাশে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ওই পুলিশকর্মীর ভুল হলেও তা চাকরি থেকে বরখাস্ত করার মতো গুরুতর অপরাধ নয়। তাঁকে তুলনামূলক লঘু শাস্তি দেওয়া যেতে পারে বলেও পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ।

ঘটনাটি ঘটে ২০২৩ সালের ৪ ডিসেম্বর। মামলাকারী পুলিশকর্মী ধীরেন্দ্রনাথ মাহাতোর দাবি, মোবাইল টয়লেট ভ্যানটির চালক ঘটনাস্থলে না থাকায় তিনি নিজেই সেটি সরানোর চেষ্টা করেছিলেন। সেই সময় ভুল করে গাড়িটি রিভার্স গিয়ারে চলে যায় এবং গার্ডরেল ও বাড়ির প্রবেশপথের ফটকে ধাক্কা লাগে। ঘটনায় কেউ আহত হননি বলেও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পরের দিন, ৫ ডিসেম্বর ধীরেন্দ্রনাথ মাহাতোকে সাসপেন্ড করা হয়। পরবর্তীতে তাঁর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে কাজে ফেরানো হলেও বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় পদক্ষেপ চালু থাকে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁকে শোকজ নোটিস দেওয়া হয় এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

এরপর বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ধীরেন্দ্রনাথ। মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ঘটনাটি নিঃসন্দেহে তাঁর ভুলের কারণে ঘটেছিল, কিন্তু সেই ভুলের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা সমীচীন নয়।

আদালত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত খারিজ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে। চার সপ্তাহের মধ্যে ওই পুলিশকর্মীকে চাকরিতে ফেরানোর বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজন মনে করলে লঘু শাস্তি আরোপের বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে বলে আদালত জানিয়েছে।

হাইকোর্টের এই নির্দেশের ফলে ২০২৩ সালের ওই ঘটনার জেরে চাকরি হারানো পুলিশকর্মীর কর্মজীবন নিয়ে নতুন করে আশার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে তাঁকে পুনর্বহাল করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন বিবেচনার উপরই নির্ভর করবে।