Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাব, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা   •   অনুমতি পাওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে সভা বাতিল, মেমারিতে ক্ষোভ বাম নেতৃত্বের   •   ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাত, প্রেসিডেন্টের সরকারি অনুষ্ঠান কভারেজ স্থগিত মার্কিন টিভি নেটওয়ার্কগুলির   •   তোলাবাজির অভিযোগে শুধু কর্মী নয়, নির্দেশদাতাদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা জরুরি: অগ্নিমিত্রা পাল   •   জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ, দেড় লাখ পতাকা নিয়ে চিন্তায় হাওড়ার ব্যবসায়ী   •   দার্জিলিং–আলিপুরদুয়ারের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার, বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর

নবনির্মিত মূর্তি সেতুর উদ্বোধন, উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত

22 Sep 2026
10:50 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: জলপাইগুড়ির মূর্তি নদীর উপর নবনির্মিত সেতুর উদ্বোধন হল। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নতুন এই সেতু চালু হওয়ায় উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সংযোগ তৈরি হল। সেতুটি উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

প্রশাসনিক ও সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন মূর্তি সেতুটি চালু হলে নাগরাকাটা, লাটাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, লুকসান, মহাবাড়ি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। মূর্তি নদীর উপর নির্মিত এই নতুন সেতুর ফলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে যাতায়াতের দূরত্বও কমবে বলে জানা গিয়েছে।

সেতু উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্যে আরও কয়েকটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে। উন্নত যোগাযোগ পরিকাঠামোর ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি কৃষক, ব্যবসায়ী এবং পর্যটকদেরও সুবিধা হবে বলে তিনি জানান।

মূর্তি, গরুমারা এবং ডুয়ার্সের পার্শ্ববর্তী পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নতুন সেতুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মতে, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা হলে এই অঞ্চলে পর্যটকদের আনাগোনা আরও বাড়তে পারে।

নতুন সেতুর দৃষ্টিনন্দন নির্মাণও ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি ডুয়ার্সের পর্যটন পরিকাঠামোকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মূর্তি সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।