নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গঙ্গাসাগরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক যোগা দিবস। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্যতম ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক তীর্থস্থান কপিলমুনির আশ্রম প্রাঙ্গণে আয়োজিত হয় জেলার মূল অনুষ্ঠান, যেখানে যোগব্যায়ামের মাধ্যমে সুস্থ ও সচেতন জীবনের বার্তা তুলে ধরা হয়।
ভোরের প্রথম আলো ফুটতেই আশ্রম চত্বরে জড়ো হতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দা, তীর্থযাত্রী এবং বিভিন্ন বয়সের যোগপ্রেমীরা। আয়োজকদের দাবি, প্রায় তিন হাজার মানুষ এদিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। একসঙ্গে যোগাসন ও প্রাণায়ামের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের মূল উদ্দেশ্য—শরীর ও মনের সুস্থতার বার্তা—সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসক, সাগর ব্লকের বিডিও-সহ জেলা ও ব্লক প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। তাঁরা যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিয়মিত যোগচর্চার আহ্বান জানান।
জেলাশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাত্রায় শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে যোগাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত যোগচর্চা শুধু শরীরকে সুস্থ রাখে না, মানসিক চাপ কমিয়ে জীবনে ইতিবাচকতা আনতেও সাহায্য করে।
প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। আশ্রম চত্বরে একদিকে যেমন ছিল আধ্যাত্মিক আবহ, তেমনি অন্যদিকে ছিল স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা। অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ ও উপস্থিতি এই আয়োজনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
সামগ্রিকভাবে, গঙ্গাসাগরের কপিলমুনির আশ্রমে আয়োজিত আন্তর্জাতিক যোগা দিবসের এই মহাসমারোহ সুস্থ জীবনযাপন ও সামাজিক সচেতনতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।