Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
নদীর চর কি সুন্দরবনবাসীর আশীর্বাদ, নাকি অভিশাপ? মুড়িগঙ্গা ও গোসাবার দুর্ঘটনা ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন   •   মগরাহাট পশ্চিমে রাজবল্লভপুর বাজারের বিজেপি কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শুনলেন দলীয় কার্যকর্তারা   •   জিও আইপিও ঘিরে আগ্রহ, টেলিকম পরিষেবার বাইরেও বিস্তৃত ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সম্ভাবনা   •   নিয়ামতপুর বাজারে ফুড সেফটি দফতর ও পুলিশের যৌথ অভিযান, ফেলে দেওয়া হল মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা ও রং মেশানো খাবার   •   আমতা-২-এর ‘লক্ষ্মীগ্রাম’ খালনায় ঐতিহ্যবাহী কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর উদ্বোধন, উপস্থিত মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ও লকেট চট্টোপাধ্যায়   •   দাসপুরের সাগরপুরে ৭৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুজো ও শারদ মেলার উদ্বোধন, উপস্থিত পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ

অবৈধ টোটো-অটোর দাপটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, নদিয়ায় চরম দুর্ভোগে নিত্যযাত্রীরা

31 Aug 2026
10:37 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  অবৈধ টোটো ও অটোর দাপট বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন নদিয়া জেলার বেসরকারি বাস কর্মীরা। সোমবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সপ্তাহের প্রথম দিনেই চরম সমস্যায় পড়েছেন হাজার হাজার নিত্যযাত্রী।

বাস কর্মীদের অভিযোগ, রাজ্য ও জাতীয় সড়কে নিয়মবহির্ভূতভাবে টোটো ও অটো চলাচলের কারণে বাসের যাত্রী সংখ্যা ক্রমশ কমছে। ফলে ডিজেল, মবিল ও বাসের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সামলানোর পর চালক ও কন্ডাক্টরদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে দাবি তাঁদের।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, অবৈধ টোটো-অটোর চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়ে পরিবহণ দপ্তর, জেলা প্রশাসন, RTO এবং SDO-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ না করা হলে ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাসকর্মীরা।

এদিকে বাস পরিষেবা বন্ধ থাকায় নদিয়ার কৃষ্ণনগর, নবদ্বীপ, করিমপুর-সহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। চিকিৎসা, অফিস, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য জরুরি কাজে বের হওয়া যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

বিকল্প হিসেবে টোটো ও অটোর উপর নির্ভর করতে গিয়ে অনেক যাত্রীকে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যাও আরও বেড়েছে। পর্যাপ্ত সরকারি বাস না থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

বাস মালিক ও কর্মীদের দাবি, নির্দিষ্ট রুটে অবৈধ টোটো-অটোর চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিলেই সমস্যার সমাধানের পথ খুলতে পারে। অন্যদিকে, ধর্মঘটের জেরে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমাতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে।

ফলে একদিকে বাস মালিক-কর্মীদের দাবি, অন্যদিকে নিত্যযাত্রীদের দুর্ভোগ—দুইয়ের মাঝে এখন নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।