Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে

অন্নপূর্ণা যোজনায় আরও ২০–৩০ লক্ষ মহিলাকে সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস শুভেন্দুর

23 Aug 2026
07:56 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক : অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে রাজ্যের মহিলাদের উদ্দেশে বড় আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই রাজ্যের ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। ভবিষ্যতে আরও যোগ্য মহিলার নাম অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আরও যদি ২০–৩০ লক্ষ প্রকৃত দাবিদার থাকেন, তাঁদেরও দেওয়ার ব্যবস্থা করব। কোনও যোগ্য মহিলা বঞ্চিত হবেন না।” তাঁর বক্তব্য, যাঁরা প্রকৃত অর্থে এই আর্থিক সহায়তার অধিকারী, তাঁদের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে।

সরকারি হিসাব তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, জুন মাসে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২৮ লক্ষ। জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ১৯ লক্ষে। অগস্ট মাসে সেই সংখ্যা আরও বেড়ে ১ কোটি ৪৫ লক্ষে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে, যাঁরা এখনও টাকা পাননি বা আবেদন নিয়ে সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য ‘ক্লেম অ্যান্ড অবজেকশন’ ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে। আবেদনকারীদের তথ্য যাচাইয়ের পর যোগ্য হলে পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভের মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা—যোগ্যতার মাপকাঠি পূরণ করলে কোনও মহিলাকেই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না।