Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
ডায়মন্ড হারবারের নদীসৌন্দর্যায়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, FIR-এর দাবি বিজেপি নেতা অবিজিৎ দাস ববির   •   পূর্ব মেদিনীপুরে জলমগ্ন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বৈঠক শুভেন্দু অধিকারীর, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও পুলিশকর্মীদের পাশে   •   বকেয়া পাওনা আদায়ের দাবিতে উলুবেড়িয়া-১ ব্লকে ঠিকাদারদের অবস্থান-বিক্ষোভ, জয়েন্ট বিডিওকে ৫ দফা ডেপুটেশন   •   অন্নপূর্ণা যোজনায় ৩,০০০ টাকা পেয়ে উচ্ছ্বাস, মাতৃশক্তির পদযাত্রা   •   খয়রাশোলে ভেঙে পড়ল নবনির্মিত কজওয়ে, ৯৮ লক্ষ টাকার নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন   •   শিলিগুড়িতে অবৈধ হোটেলের রমরমা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই বলেই অভিযোগ

শিলিগুড়িতে অবৈধ হোটেলের রমরমা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই বলেই অভিযোগ

19 Aug 2026
10:20 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  শিলিগুড়িতে অবৈধ হোটেল ও নির্মাণকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। রাস্তার ধারে ছোট খাবারের দোকান, আর সেই দোকানের পিছনেই গড়ে উঠেছে একাধিক হোটেল—এমনই অভিযোগ স্থানীয়দের। অভিযোগ, এই হোটেলগুলির অনেকগুলিতেই পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই। ফলে কোনওভাবে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে বড়সড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

শুধু অগ্নিনিরাপত্তা নয়, একাধিক নির্মাণের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলের জমির উপর অনুমতি ছাড়াই বেশ কিছু নির্মাণ গড়ে উঠেছে। রাস্তার ধারে খাবারের দোকানকে সামনে রেখে পিছনে হোটেল ব্যবসা চালানোর অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, হোটেলগুলিতে নিয়ম মেনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমনের পথ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা পরিকাঠামো রয়েছে কি না, তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে ঘিঞ্জি এলাকায় একাধিক হোটেল পাশাপাশি থাকায় আগুন লাগলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রেলের জমি দখল করে নির্মাণের অভিযোগও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ সত্য হলে জমির মালিকানা, নির্মাণের অনুমোদন এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

অন্যদিকে, রাস্তার ধারে খাবারের দোকান ও হোটেল ব্যবসার কারণে যান চলাচল এবং পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ফুটপাত বা রাস্তার জায়গা দখল করে ব্যবসা চালানো হলে সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পুরসভা এবং রেল কর্তৃপক্ষের যৌথভাবে গোটা বিষয়টি পরিদর্শন করা উচিত। কোন হোটেলের বৈধ অনুমোদন রয়েছে, কোথায় অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে এবং কোথায় রেলের জমিতে বেআইনি নির্মাণ হয়েছে—তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগগুলির সত্যতা যাচাই করে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সেদিকেই নজর। একইসঙ্গে অবৈধ নির্মাণ ও অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা নিয়েও অপেক্ষা রয়েছে।

news home ads