Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
প্রযুক্তিতে ভারতের চর্চা গোটা বিশ্বে হবে   •   কলকাতার ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বিশেষ বৈঠক, ঐতিহ্য ও প্রাণীকল্যাণে নতুন ভাবনা অগ্নিমিত্রা পালের   •   হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে দুর্গাপুরে বিজেপির অভিনব প্রতিবাদ, প্রতীকী কবর ও ‘শ্রাদ্ধ’ ঘিরে চাঞ্চল্য   •   কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা   •   ক্ষেতি হাই স্কুলে নবম সাব-জুনিয়র রাজ্য নেটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬, তরুণ খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিলেন নিশীথ প্রামাণিক   •   প্রতিদিন নদী সাঁতরে স্কুলে যান শিক্ষক, ‘টিউব মাস্টার’ আবদুল মালিকের অনন্য কাহিনি

রূপনারায়ণপুরে ৫০ বছরের পুরনো খেলার মাঠে মাটি কাটার অভিযোগ, বিক্ষোভে গ্রামবাসী

08 Aug 2026
10:59 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি,  জেলার বার্তা ডেস্ক : পশ্চিম বর্ধমানের সালানপুর ব্লকের রূপনারায়ণপুরের চিতালডাঙ্গার ধাঙ্গুড়ি মৌজায় প্রায় ৫০ বছরের পুরনো একটি ফুটবল মাঠে রাতের অন্ধকারে জেসিবি দিয়ে মাটি কাটার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুক্রবার দুপুরে মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় গ্রামবাসীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাসিন্দারা এই মাঠে খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছেন। বুধবার গভীর রাতে জেসিবি দিয়ে মাঠের একাংশ খুঁড়ে ফেলা হয়। তাঁদের দাবি, জমি মাফিয়ারা মাঠটি দখল করে প্লটিং করার উদ্দেশ্যে এই কাজ করেছে। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট জমিটি সরকারি খাস জমি এবং সেটিকে ব্যক্তিগত মালিকানার দাবি করে দখলের চেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, জমিটি তাদের বৈধ রায়তি সম্পত্তি এবং সেই দাবির পক্ষে প্রয়োজনীয় নথিপত্রও রয়েছে। তাই তারা আইন মেনেই জমির কাজ করতে চেয়েছেন বলে দাবি করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে সালানপুর থানার রূপনারায়ণপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জমিতে কোনও ধরনের নির্মাণ বা মাটি কাটার কাজ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রশাসন উভয় পক্ষের বক্তব্য এবং জমির নথিপত্র খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।